Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রজন্মকে বইয়ে ফেরাচ্ছেন খালিক উদ্দিন
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় মধ্যপ্রাচ্য

স্কুল নেই তাঁবুতেই জীবন, তবু পরীক্ষার ঘণ্টা গাজায়

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১৯:৫১
স্কুল নেই তাঁবুতেই জীবন, তবু পরীক্ষার ঘণ্টা গাজায়

সংগৃহীত ছবি

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। দেইর আল-বালাহর তাঁবুর সারি পেরিয়ে হাঁটা শুরু করেন ১৮ বছরের তরুণী ডানা শাবাত। হাতে বই নেই, কাঁধে স্কুলব্যাগও নেই। আছে শুধু একটি মোবাইল ফোন আর ভবিষ্যতকে আঁকড়ে ধরে রাখার একরাশ জেদ। এক ঘণ্টা হেঁটে তাকে পৌঁছাতে হবে একটি ক্যাফেতে। সেখানেই বসে দিতে হবে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। গাজার এই তরুণীর কাছে

উচ্চ মাধ্যমিকের ‘তাওজিহি’ পরীক্ষা শুধু একটি পরীক্ষা নয়, যুদ্ধের অন্ধকার ভেদ করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার শেষ ভরসা। পড়াশোনায় বরাবরই অসাধারণ ডানা। স্বপ্ন দেখেন বিদেশে বৃত্তি নিয়ে পড়ার। চিকিৎসাবিজ্ঞান, অর্থনীতি কিংবা ব্যবসা— কোন পথে যাবেন, তা এখনো স্থির করেননি তিনি। কিন্তু গাজার অনিশ্চয়তা ছেড়ে একদিন নতুন জীবন গড়তে চান। আলজাজিরা।

সেই পথ অবশ্য সহজ নয়। আড়াই বছরেরও বেশি সময় চলা ইসরায়েলি হামলায় ওলটপালট হয়ে গেছে তার জীবন। গত বছরের মে মাসে এক হামলায় প্রাণ হারান তার মা লিনা। উত্তর গাজার বেইত হানুনে তাদের বাড়ি এখন প্রায় ধ্বংসস্তূপ। তাই বাবা ও ভাইবোনদের নিয়ে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহে একটি তাঁবুই এখন তাদের ঠিকানা।

যুদ্ধে গাজার অসংখ্য স্কুল ধ্বংস হয়েছে। অনেক স্কুল আবার আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ফলে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়েছে অনলাইনে। পরীক্ষাও হচ্ছে সেভাবেই। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠে এক ঘণ্টা হেঁটে ক্যাফেতে পৌঁছান ডানা। সেখানে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের ভরসায় মোবাইল ফোনে পরীক্ষা দেন।

এ বছর গাজায় প্রায় ৩৭ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এই পরীক্ষায় বসছে। তাওজিহি পরীক্ষা শুরু হয়েছে ২০ জুন এবং শেষ হবে ৮ জুলাই। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম পশ্চিম তীরের প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরীক্ষা হচ্ছে। তবে পার্থক্য একটাই— পশ্চিম তীরে পরীক্ষার্থীরা বসছে স্কুলের বেঞ্চে আর গাজার ছাত্রছাত্রীরা ক্যাফের টেবিলে।

ডানার বাবা মুহান্না শাবাত যুদ্ধের আগে রসায়নের শিক্ষক ছিলেন। সংসারের নানা প্রয়োজন কমিয়ে মেয়ের পড়াশোনার জন্য ব্যক্তিগত শিক্ষকের খরচ জুগিয়েছেন। তার কথায়, ‘একসময় আমাদের সুন্দর বাড়ি ছিল, স্থির জীবন ছিল। এখন সব হারিয়ে আমরা তাঁবুতে থাকি। তবু মেয়েদের পড়াশোনা থামতে দিইনি।’

বাড়ি ফিরে ডানাকে ঘিরে ধরে ছোট বোনরা। পরীক্ষার খবর জানতে চান প্রতিবেশীরাও। তারপর আবার পরের দিনের প্রস্তুতি। ফোন চার্জ দিতে পাঠাতে হয় আলাদা কেন্দ্রে। বিদ্যুতের অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। তবু স্বপ্ন দেখা থামাননি ডানা।

তিনি নেতা হতে চান, সমাজের জন্য কাজ করতে চান, নতুন ভাষা শিখতে চান। আর সবচেয়ে বড় কথা, তিনি চান তার মা যেন ওপর থেকে দেখে বলতে পারেন— যুদ্ধ সবকিছু কেড়ে নিতে পারেনি, মেয়ের স্বপ্নটুকু এখনো বেঁচে আছে।


অনুবাদ: রুবাইয়া জেসমিন, কলকাতা প্রতিনিধি 

গাজাতাঁবু
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    মিয়ানমার থেকে পানির নিচ দিয়ে বিশেষ ক্যারিয়ারে আনা হতো ইয়াবা

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    যশোরে অভিনেতা সমু চৌধুরীকে পিটিয়ে জখম

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    নিউ ইয়র্ক বিমানবন্দরে তোপের মুখে ড. ইউনূস

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    কোটালীপাড়ায় সরকারি খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    বিদেশিদের হাতে আটকে পোশাক রপ্তানির ৮৭ হাজার কোটি টাকা

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ড. ইউনূস বলেছেন, ‘এটাই ফ্যাসিবাদীদের চরিত্র’

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    ডিসি-এসপি গিয়ে মুক্ত করলেন ভিসি শরীফুলকে, চুয়েট ছাড়লেন অ্যাম্বুলেন্সে

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    হেনস্তার ঘটনা ড. ইউনূসের ওপর প্রভাব ফেলেনি : লামিয়া মোরশেদ

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ বন্ধ হচ্ছে : আইনমন্ত্রী

    ড. ইউনূসকে হেনস্তা ‘আনচ্যালেঞ্জড’ যাবে না : উপদেষ্টা জাহেদ

    ড. ইউনূসকে হেনস্তা ‘আনচ্যালেঞ্জড’ যাবে না : উপদেষ্টা জাহেদ

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলের মৃত্যু

    কালীগঞ্জে আলাদা দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

    কালীগঞ্জে আলাদা দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল দুই প্রাণ

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    ডোপ টেস্টে পজিটিভ, পুলিশ কনস্টেবল বরখাস্ত

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব