Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

বাঙালি মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১৩:০২
বাঙালি মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত

সংগৃহীত ছবি

কোনো ধরনের মৌলিক বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়াই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিশেষ করে বাঙালি মুসলিম জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারতের কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

সংস্থাটি বলেছে, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা এবং বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) প্রবেশ ঠেকানোর কার্যক্রমে দুই দেশের মাঝামাঝি ‘শূন্য রেখা’য় বহু পরিবার আটকে পড়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীরা জানিয়েছে—২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এখন পর্যন্ত তারা বিএসএফের ২১টি চেষ্টা ব্যর্থ করেছে। এসব প্রচেষ্টায় শিশুসহ ২ শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশের সীমান্ত জেলাগুলোতে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গত মার্চে নির্বাচনে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জয়ী হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করে বলেন—তাঁর ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতির অধীনে শত শত ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’কে আটক করা হয়েছে এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষকে ‘ফিরে যেতে’ বাধ্য করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেছেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরিবারগুলোর মৌলিক মানবাধিকার উপেক্ষা করে তাদের নিষ্ঠুরভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বা সীমান্তে আটকে রাখছে।’

‘সরকারকে অবৈধভাবে মানুষ বহিষ্কার বন্ধ করতে হবে, প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নাগরিকত্ব যাচাই করতে হবে এবং মুসলিমদের প্রতি এই উদ্বেগজনক বৈরিতা বন্ধ করতে হবে’, যোগ করেন তিনি।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মোট নয়জন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছে। তারা দেখেছেন কীভাবে ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী রাতে একদল মানুষকে সীমান্তে নিয়ে আসে এবং কাঁটাতারের বেড়ার ফাঁক দিয়ে তাদের বাংলাদেশি ভূখণ্ডে ঠেলে দেয়। কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষীরা প্রবেশের অনুমতি না দিলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা শেষ পর্যন্ত তাদের আবার ফিরে যেতে দেয়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বহু বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছে এবং তাদের স্বেচ্ছায় দেশে ফেরাতে সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, সত্যিকারের স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন, এমনকি সহায়তাসহ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু ভারত জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন বা জোর করে বহিষ্কার করা উচিত নয়। পাশাপাশি কিছু সাক্ষাৎকারে যেভাবে অভিযোগ উঠেছে, তেমনভাবে মানুষকে তাঁদের নথিপত্র, অর্থ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র থেকে বঞ্চিত করাও উচিত নয়।

বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো মানুষকে গ্রহণ করবে না। তাদের অবস্থান, প্রত্যাবাসন হতে হবে যথাযথ যাচাই এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচভারত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise