Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ভারত

বিদ্রোহ থেকে শান্তির পথে জোরামথাঙ্গা

৬০ বছর পর স্নাতক ডিগ্রি পেলেন মিজোরামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

শিভাশিষ ভট্টাচার্য, মিজোরাম থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ২২:০৪
৬০ বছর পর স্নাতক ডিগ্রি পেলেন মিজোরামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

প্রায় ৬০ বছর পর আসামের গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছেন মিজোরামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এমএনএফ) সভাপতি জোরামথাঙ্গা।

শেষবার স্নাতক পরীক্ষায় বসেছিলেন ১৯৬৬ সালে। এরপর কেটে গিয়েছে প্রায় ছয় দশক। দীর্ঘ এই সময়ে বিদ্রোহী জীবন থেকে রাজনীতি, সংঘাত থেকে শান্তির পথে পা রেখে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। অবশেষে বৃহস্পতিবার আসামের গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিজের স্নাতক ডিগ্রির শংসাপত্র হাতে পেলেন প্রাক্তন মিজোরাম মুখ্যমন্ত্রী তথা মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এমএনএফ)-এর সভাপতি জোরামথাঙ্গা।
গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফণীধর দত্ত সেমিনার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ননী গোপাল মহন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে ডিগ্রির শংসাপত্র তুলে দেন।
১৯৬৬ সালে মণিপুরের ধনমনজুরি কলেজ থেকে স্নাতক স্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসেছিলেন জোরামথাঙ্গা। সে সময় কলেজটি গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। ইংরেজি ছিল তাঁর প্রধান বিষয়। দ্বিতীয় বিভাগে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রির শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারেননি।
১৯৬৫ সালে এমএনএফ-এ যোগ দেওয়ার পরের বছরই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। লালডেঙ্গার নেতৃত্বে এমএনএফের সশস্ত্র আন্দোলনে যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন গেরিলা জীবনে ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে মিজোরাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া পর্যন্ত লালডেঙ্গার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সংগঠনের রাজনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জোরামথাঙ্গা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে জোরামথাঙ্গা বলেন, তাঁর জীবনযাত্রা সংঘাত থেকে শান্তি এবং বিদ্রোহ থেকে রাজনীতির দিকে এগিয়েছে।
‘ফ্রম গেরিলা ফাইটার টু আ পিসমেকার’ শীর্ষক বক্তৃতায় তিনি বলেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব শিখিয়েছে।
জোরামথাঙ্গা বলেন, স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার সম্মিলিত ইচ্ছা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির নানা দিক ‘ফ্রম গেরিলা ফাইটার টু চিফ মিনিস্টার’ বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষামহলের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
উপাচার্য অধ্যাপক ননী গোপাল মহন্ত বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারতের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে জোরামথাঙ্গার অভিজ্ঞতা এবং শান্তির প্রতি তাঁর বিশ্বাস নতুন প্রজন্মের কাছে মূল্যবান শিক্ষা হয়ে উঠতে পারে। সমাজের জন্য ইতিবাচক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে তাঁর জীবনযাত্রা তরুণদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রায় ছয় দশক আগে যে পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর শিক্ষাজীবনের আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষ হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সেই পরীক্ষারই ডিগ্রি হাতে নিয়ে জোরামথাঙ্গার জীবনের আর একটি অধ্যায় যেন পূর্ণতা পেল।

ভারতমিজোরামজোরামথাঙ্গামিজোরামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise