যন্তর মন্তরে ঢুকতেই তিন নেতা আটক, মোদিকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দীপকের

আটক হবার আগে দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা। ছবি / সংগৃহীত
দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা করতেই আবারও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। এর জেরে সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ করে সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ জানিয়েছেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে।
আজ মঙ্গলবার সকালে দলের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে আটক করা হয়। এদিন সকালে জাতীয় পতাকা হাতে সিজেপির কয়েকজন সদস্য যন্তর মন্তরে ঢোকেন। পরে তাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।
এরপর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘প্রতিবাদ নিষিদ্ধ করা যায় না, নরেন্দ্র মোদি।’
তার অভিযোগ, যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভের স্থান থেকে বাদ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এতে আন্দোলন থামবে না। দেশের বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে বিক্ষোভ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আটকের আগে সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘যন্তর মন্তর আমরা পুনরুদ্ধার করেছি। আমরা সেখানে ঢুকেছি এবং এখন আমাদের আটক করা হচ্ছে। তবে তরুণ প্রজন্মের কাছে এর বার্তা হলো—আমরাও পারি।’
ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এতে বহু মানুষের ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এসআইআর প্রত্যাহার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে আন্দোলন চলছে।
সোমবার বিরোধী জোটের নেতারা সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করেন। ওই ঘটনায় দুটি এফআইআর করেছে দিল্লি পুলিশ।
একই দাবিতে আজ মঙ্গলবার বিহারের পাটনায় গান্ধী ময়দান থেকে রাজভবন পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে ছাত্র ও যুব সংগঠন এআইএসএ-আরওয়াইএ। কলকাতাতেও তৃণমূলের ছাত্র ও যুব সংগঠন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
এদিকে দিল্লিতে মোতায়েন প্রায় ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যের দায়িত্বের মেয়াদ আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে জানা গেছে।



