Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

বিড়ালের সঙ্গে এক কাপ কফি

  • জাপানে ক্যাট ক্যাফের শুরু ওসাকায়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৩
বিড়ালের সঙ্গে এক কাপ কফি

জাপানের প্রথম ক্যাট ক্যাফে ‘নেকো নো জিকান’। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে বিড়ালের সঙ্গে সময় কাটানোর জনপ্রিয় সংস্কৃতি এখন দেশটির পরিচিত একটি চিত্র। কফির কাপ হাতে বসে থাকা আর চারপাশে নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ানো বিড়ালকে ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রায় ৩০০টি ক্যাট ক্যাফে। তবে এই জনপ্রিয়তার শুরু হয়েছিল ওসাকার একটি ছোট ক্যাফে থেকে। ২০০৪ সালে ওসাকার নাকাজাকি চো এলাকায় ইয়োকো ইয়োশিদার উদ্যোগে চালু হয় ‘নেকো নো জিকান’, যেটিকে জাপানের প্রথম ক্যাট ক্যাফে বলে মনে করা হয়।

ধারণাটি ছিল সহজ। ক্যাফের শান্ত পরিবেশের সঙ্গে যোগ হবে বিড়ালের সঙ্গ। সেখানে খাবার বা পানীয়ের চেয়ে কয়েকটি বিড়ালের সঙ্গে একই জায়গায় কিছুটা সময় কাটানোই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের সঙ্গে এই ধারণা ছড়িয়ে পড়ে পুরো জাপানে।

বিড়ালপ্রেমের এই জনপ্রিয়তা তৈরির পেছনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম তামা। ২০০৭ সালে ওয়াকায়ামা প্রিফেকচারের একটি সমস্যাগ্রস্ত স্থানীয় রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার করা হয় তামাকে। বিখ্যাত এই বিড়ালটি পরে রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পায়। তাকে দেখতে পর্যটকদের ভিড়ও বাড়তে থাকে।

প্রায় ২০ বছর ধরে বিড়ালের ছবি তোলা আলোকচিত্রী হাজিমে আমাকি মনে করেন, তামার জনপ্রিয়তা জাপানজুড়ে বিড়ালসংক্রান্ত ছবি ও পণ্যের চাহিদা বাড়াতে রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

২০০৭ সালে ওয়াকায়ামা প্রিফেকচারের একটি রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার করা হয় তামাকে। ছবি: সংগৃহীতজাপানের ‘নেকোনমিক্স’ বা বিড়ালকেন্দ্রিক অর্থনীতির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন কানসাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কাটসুহিরো মিয়ামোতো। তার মতে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে জাপানে বড় ধরনের বিড়াল উন্মাদনা তৈরি হয়। ২০১৫ সালে বিড়ালকে ঘিরে পণ্য, সেবা ও বিনোদন খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছেছিল। একই সময়ে বাড়তে থাকে ক্যাট ক্যাফের সংখ্যাও।

তবে ‘নেকো নো জিকান’-এর বিশেষত্ব শুধু এর ইতিহাসে নয়। সেখানে বিড়ালদের নিজেদের মতো থাকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। দর্শনার্থীদের প্রবেশের আগে হাত ধুতে হয়। দৌড়ানো বা জোর করে বিড়ালকে কোলে তুলে নেওয়া নিষেধ। বিড়াল চাইলে কাছে আসবে, না চাইলে দূরে চলে যাবে। মানুষের অবশ্যই বিড়ালের সেই স্বাধীনতাকে সম্মান করতে হবে।

ইয়োকো ইয়োশিদার বাড়ির পাশেই ক্যাফেটি হওয়ায় প্রতিদিন বিড়ালগুলোর স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখাও তার জন্য সহজ। ক্যাফে খোলার আগে পোষা প্রাণীর পরিচর্যার কাজ করতেন তিনি। তখন জাপানে অবশ্য বিড়ালের তুলনায় কুকুরের জনপ্রিয়তা বেশি ছিল।

একদিন কাজের ফাঁকে শান্তিতে বসার জায়গা খুঁজতে গিয়ে একটি মাঙ্গা ক্যাফের সোফায় বসার অভিজ্ঞতা থেকে ইয়োশিদার মাথায় আসে নতুন ভাবনাটি। তার মনে হয়েছিল, ‘এখানে যদি বিড়াল থাকত।’

মাঙ্গা ক্যাফে জাপানের এমন এক ধরনের ক্যাফে, যেখানে মানুষ মাঙ্গা কমিকস পড়তে পারেন এবং শান্তিতে কয়েক ঘণ্টা সময় কাটাতে পারেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ইয়োশিদার ভাবনা পরে বদলে দেয় জাপানের ক্যাফে সংস্কৃতির একটি অংশ।

এখন অনেক ক্যাট ক্যাফে উদ্ধার করা বিড়ালের নতুন বাড়ি খুঁজে দেওয়ার কাজও করে। সম্ভাব্য দত্তকগ্রহীতার সঙ্গে কথা বলা থেকে শুরু করে তাদের বাড়ির পরিবেশও যাচাই করা হয়, যাতে পরে কোনো কারণে প্রাণীটিকে পরিত্যাগ করতে না হয়। এমনই একটি ক্যাফে ১০ বছরে এক হাজারের বেশি বিড়ালের জন্য নতুন গ্রহীতা ও বাড়ি খুঁজে দিয়েছে।

ভাষান্তর: রুবাইয়া জেসমিন

জাপানক্যাট ক্যাফে
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise