চার পিপিএসের পদত্যাগে আরও চাপে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
চাপের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। নিজ দল লেবার পার্টির ভেতর থেকেই ওঠছে পদত্যাগের দাবি। এমনকি পদ ছেড়েছেন চারজন পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি বা পিপিএস। একই দাবিতে হাউস অব কমন্সে সমর্থন জানিয়েছে লেবার পার্টির প্রায় ৭০ জন এমপিও।
গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকেই দলের ভেতরে বাড়তে থাকে অসন্তোষ। অর্থনীতি ও অন্যান্য জাতীয় ইস্যু সামাল দিতে ব্যর্থতার অভিযোগও ওঠেছে স্টারমারের বিরুদ্ধে।
চাপের মুখে সোমবার লন্ডনে দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে দলের কাছে সংশোধনের সুযোগ চেয়েছেন স্টারমার। তার দাবি, এই মুহূর্তে নেতৃত্ব পরিবর্তনের লড়াই কেবল সৃষ্টি করবে বিশৃঙ্খলা। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ভূমিকা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। যদিও এতে খুব একটা লাভ হয়নি, ক্রমেই তা হচ্ছে পরিষ্কার।
পিপিএস টম রুটল্যান্ড তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন, স্টারমার শুধু লেবার পার্টির এমপিদের মধ্যেই নয়, পুরো দেশেই হারিয়েছেন নিজের কর্তৃত্ব এবং তা আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়।
অন্যদিকে মেলানি ওয়ার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন স্টারমার। তবে স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফল দলকে দিয়েছে স্পষ্ট বার্তা।
প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ব্যবস্থা অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রীর সহযোগী হিসেবে কাজ করেন পিপিএসরা। সাধারণত জুনিয়র এমপিদের মধ্য থেকে বাছাই করা হয় তাদের। অবৈতনিক পদ হলেও সরকারি কার্যক্রমের সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয় এটি।





