Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ইউরোপ

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচার

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মাঠে ঝড় তুলছেন ফ্রান্সের গ্রিন পার্টি নেতা

  • প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা
হাসান ইলিয়াছ, প্যারিস থেকে
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৩
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়  মাঠে ঝড় তুলছেন ফ্রান্সের গ্রিন পার্টি নেতা

জীবনের দুই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেশটির পরিবেশবাদী দল লেজেকোলজিস্তের নেতা মেরিন টন্দেলিয়ে

একদিকে অনাগত সন্তানের অপেক্ষা, অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার কঠিন রাজনৈতিক লড়াই। জীবনের দুই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেশটির পরিবেশবাদী দল লেজেকোলজিস্তের নেতা মেরিন টন্দেলিয়ে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচারে সক্রিয় রয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী এই রাজনীতিক।

গর্ভাবস্থার কারণে রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার পথ বেছে নেননি টন্দেলিয়ে। বরং নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে রাজনৈতিক আলোচনার অংশ করেছেন তিনি। নারীস্বাস্থ্য, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা, সহায়ক প্রজনন পদ্ধতি এবং সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে নারীদের নানা প্রতিবন্ধকতা এখন তার বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

চলতি বছরের মার্চে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন টন্দেলিয়ে। তখন তিনি জানান, তিনি তিন মাসের গর্ভবতী। এর আগে গর্ভপাত এবং আইভিএফসহ সহায়ক প্রজনন চিকিৎসার ব্যর্থ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। দীর্ঘ সেই অভিজ্ঞতার পর এবার মা হওয়ার খবর তার কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

টন্দেলিয়ের এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এখন তার রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। ফ্রান্সে সন্তান ধারণের চিকিৎসা কতটা সহজলভ্য, নারীরা চিকিৎসা নিতে গিয়ে কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন এবং প্রজননস্বাস্থ্য নিয়ে রাষ্ট্রের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, এসব প্রশ্ন সামনে আনছেন তিনি।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও নির্বাচনী প্রচারের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন টন্দেলিয়ে। গ্রীষ্মকালীন প্রচারের অংশ হিসেবে বৈদ্যুতিক ভ্যানে করে ফ্রান্সের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন। মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং পরিবেশ ও সামাজিক নীতির বিষয়ে নিজের দলের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

তবে গর্ভাবস্থার কারণে প্রচার কর্মসূচিতে কিছু পরিবর্তনও আনতে হয়েছে। জুলাইয়ে নির্ধারিত সফরের ২৬টি ধাপের মধ্যে ২৪টি সম্পন্ন করার পর গিরোন্দ অঞ্চলের দাবানলের ধোঁয়ার কারণে সফর সংক্ষিপ্ত করেন তিনি। গর্ভাবস্থায় ওই ধরনের ধোঁয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

টন্দেলিয়ের রাজনৈতিক যাত্রায় মাতৃত্বের প্রসঙ্গটি অবশ্য একেবারে নতুন নয়। নিজের সন্তান ধারণের সংগ্রামের কথা তিনি আগেও প্রকাশ্যে বলেছেন। তবে এবার সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদে যাওয়ার লড়াই। ফলে ফরাসি রাজনীতিতে তাঁর প্রচার পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ফ্রান্সের বাম ও পরিবেশবাদী রাজনীতিতেও চলছে নানা সমীকরণ। অভিন্ন প্রার্থী দেওয়া হবে কি না, বামপন্থী দলগুলো কীভাবে জোট করবে এবং নির্বাচনে কে নেতৃত্ব দেবেন, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে টন্দেলিয়ে নিজের প্রার্থিতা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। তার দলও নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে। পরিবেশনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং নাগরিক অধিকারকে সামনে রেখে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি তুলে ধরছে লেজেকোলজিস্ত।

টন্দেলিয়ের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ একাধিক। তাকে যেমন নিজের দল ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক মিত্রদের সমর্থন ধরে রাখতে হবে, তেমনি সাধারণ ভোটারের কাছেও নিজেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর পাশাপাশি গর্ভাবস্থা ও মাতৃত্বের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভারসাম্যও রাখতে হচ্ছে তাঁকে।

সন্তান জন্মের সম্ভাব্য সময় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে। অর্থাৎ ২০২৭ সালের নির্বাচনী রাজনীতির প্রস্তুতির মধ্যেই তাঁর জীবনে আসতে যাচ্ছে নতুন অতিথি। সন্তান জন্মের পর কীভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন, কতটা সময় বিরতি নেবেন এবং নির্বাচনী প্রচারে তার ভূমিকা কী হবে, সেটিও এখন আগ্রহের বিষয়।

তবে এরই মধ্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে। ফ্রান্সের রাজনীতিতে টন্দেলিয়ের এই অবস্থান নারীর নেতৃত্ব ও মাতৃত্ব নিয়ে পুরোনো ধারণাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। একজন নারী মা হতে চলেছেন বলেই তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার থেমে যাবে, এমন ধারণাকে নিজের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে চ্যালেঞ্জ করছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল কী হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। কিন্তু ভোটের ফলাফলের আগেই মেরিন টন্দেলিয়ে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন। একদিকে তাঁর জীবনে আসছে নতুন সন্তান, অন্যদিকে তিনি লড়ছেন দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পদটির জন্য।

মেরিন টন্দেলিয়েফ্রান্সপ্রেসিডেন্ট নির্বাচন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise