নির্ধারিত রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রস্তুত রাশিয়ার ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ‘একাডেমিক লামানোসভ’-এর প্রথম ইউনিটটির দ্বিতীয় রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানী সরবরাহ সম্পন্ন করেছে রসাটমের ফুয়েল ডিভিশন।
আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্টায়ত্ব পারমানবিক শক্তি সংস্থা রসাটমের বাংলাদেশের পিআর এজেন্সি ট্রিউন গ্রুপ এ তথ্য জানিয়েছে। বর্তমানে রূপপুরে দেশের প্রথম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ করছে রসাটম।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ভাসমান ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের প্রথম রিফুয়েলিং করা হয় ২০২৩ সালের শেষের দিকে। ২০২৪ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ২ নম্বর চুল্লীর রিফুয়েলিং সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় চুল্লীর পরবর্তী নির্ধারিত রিফুয়েলিং করা হবে ২০২৭ সালে।
রসাটমের ফুয়েল ডিভিশনের অধীনস্থ ইলেকট্রোস্তালের ‘এলেমাশ’ মেশিন-বিল্ডিং প্ল্যান্টে এই পারমাণবিক জ্বালানী তৈরি করা হয়েছে। ডেলিভারির আগে ফুয়েল অ্যাসেম্বলিগুলোর গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা এবং প্রযুক্তিগত পরিদর্শন সম্পন্ন করে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে রাশিয়ান মেরিটাইম রেজিস্টার অব শিপিং। আলাস্কার কাছাকাছি এবং বেরিং প্রণালীর অপর তীরে রাশিয়ার চুকোতকা অঞ্চলে ‘একাডেমিক লামানোসভ’ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ করছে। এতে রয়েছে দুটি কেএলটি-৪০এস মডেলের এসএমআর।
রসাটম জানায়, প্রচলিত বৃহৎ ও স্থলভিত্তিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে সাধারণত প্রতি ১২ থেকে ১৮ মাস অন্তর আংশিক জ্বালানি পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, কেএলটি-৪০এস মেরিন চুল্লীগুলোর সম্পূর্ণ জ্বালানী পরিবর্তন করতে হয় কয়েক বছর পর পর। এই সময় পুরো চুল্লীর কোরটি নামিয়ে নতুন জ্বালানী লোড করা হয়। উভয় চুল্লীতে প্রথম পূর্ণ রিফুয়েলিং চক্র সমাপ্ত হওয়া এই ভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রথম পূর্ণ রিসাইকেল চক্র নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া রসাটমের ভাসমান এসএমআর প্রযুক্তির দীর্ঘমেয়াদী পরিচালন সক্ষমতাকে প্রমাণ করে।







