পশ্চিম তীর
ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

জ্যঁ-নোয়েল বারো— রয়টার্স
অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ওপর আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে বলে রবিবার জানিয়েছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো। ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার প্রতিবাদে এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত মাসের শেষদিকে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং তাদের সমর্থনকারী সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
পাবলিক সেনা টেলিভিশন ও আরটিএল রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বারো বলেছেন, কোন কোন ইউরোপীয় দেশ নতুন পদক্ষেপ নিতে পারে, তা উল্লেখ করেননি। তবে আগের ইইউ নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, ‘আমরা আরও এগোতে পারি এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।’
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধির পর তার এই মন্তব্য এলো। একই সঙ্গে এটি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের প্রতি বহু পশ্চিমা দেশের ক্ষোভও তুলে ধরে। পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে তার সরকার।
কূটনীতিকদের মতে, এই সম্প্রসারণের লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে দুর্বল করে দেওয়া।
শনিবার রয়টার্স ইউরোপীয় কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে জানায়, পশ্চিম তীরে সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সমন্বিত জাতীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়াতে কয়েকটি দেশের সঙ্গে কাজ করছে ফ্রান্স।
বারো বললেন, ‘পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি কার্যক্রমের বৃদ্ধি এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।’
গত ২২ মে সাতটি প্রধান পশ্চিমা দেশ ইসরায়েলকে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ এবং বসতি স্থাপনকারীদের বাড়তে থাকা সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানায়।
যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছিল, ‘গত কয়েক মাসে পশ্চিম তীরের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে।’




