Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান-আমিরাতের বিতণ্ডা

রয়টার্স
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১৭:১৮
ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে ইরান-আমিরাতের বিতণ্ডা

ছবি: রয়টার্স

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার নিউদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে তার দেশের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন। এমনটাই জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

এর এক দিন আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি বক্তব্যকে অস্বীকার করেছে আমিরাত। ওই বক্তব্যে তিনি দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধ চলাকালে উপসাগরীয় দেশটি সফর করেছিলেন তিনি। এর প্রতিক্রিয়ায় আরাঘচি বলেছিলেন, ‘যারা বিভাজন তৈরিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যোগসাজশ করছে, জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে তাদের।’

আজ বৃহস্পতিবার আমিরাত প্রতিনিধির মন্তব্যের জবাবে আরাঘচিকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলেছে, ‘ঐক্যের স্বার্থে আমি (ব্রিকস) বক্তব্যে আমিরাতের নাম উল্লেখ করিনি। কিন্তু সত্য হলো, আমিরাত আমার দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে সরাসরি জড়িত ছিল। হামলা শুরু হওয়ার পর নিন্দাও জানায়নি তারা।’

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আমিরাতের প্রতিনিধি কী মন্তব্য করেছিলেন, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি কিংবা ইসরায়েলের সঙ্গে জোট—কোনোটিই আমিরাতকে নিরাপত্তা দেয় না এবং ইরানের প্রতি তাদের নীতি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণভাবে পাশাপাশি বসবাস করতে হবে এবং এর জন্য দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক ও পূর্ণ বোঝাপড়া প্রয়োজন।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালালে যুদ্ধ শুরু হয়। জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় তেহরান।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, এপ্রিলের শুরুর দিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায় আমিরাত। পশ্চিমা ও ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক অপ্রকাশিত হামলা চালিয়েছে সৌদি আরবও।

ইরানি গণমাধ্যমে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, ভারত অনুষ্ঠিত ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের অংশগ্রহণকারীরা শেষ পর্যন্ত যৌথ ঘোষণাপত্র দিতে পারবেন কি না। কারণ ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে মতপার্থক্য বেড়েছে। উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদিকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, আমিরাতের উপস্থিতির কারণে তৈরি হয়েছে ‘সমস্যা ও যোগাযোগসংক্রান্ত জটিলতা।’

ব্রিকসপররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকইরান যুদ্ধসংযুক্ত আরব আমিরাত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise