Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় এশিয়া

নেপালে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের পর প্রশ্নের মুখে সংবাদমাধ্যম

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৮
নেপালে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের পর প্রশ্নের মুখে সংবাদমাধ্যম

সংগৃহীত ছবি

নেপালের সুনসারি জেলার দেওয়ানগঞ্জ গ্রামীণ পৌরসভার কাপ্তানগঞ্জে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। ঘটনাটির পর পর্যবেক্ষণ চালিয়ে নেপাল প্রেস কাউন্সিল ৩১ জুলাই জানিয়েছে যে, সাংবাদিকতার নীতিমালা লঙ্ঘন করে প্রকাশিত অন্তত ৯০টি কনটেন্ট চিহ্নিত হয়েছে। আর এসবের মধ্যে বহু কনটেন্ট সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা, বিদ্বেষ ছড়ানো ও সহিংসতাকে উসকে দেওয়া এবং গুজব ছড়ানোর মতো ভয়ংকর অভিযোগের মুখে পড়েছে।

গত ২৬ জুলাই রাতে কাপ্তানগঞ্জে হিন্দু ও মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে একটি সামান্য বিবাদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের গুলিতেই ঘটনাস্থলেই এক ব্যক্তির মৃত্যু হয় এবং এক ডজনেরও বেশি মানুষ এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া পরে আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়। ফলে এই ঘটনার জেরে সৃষ্ট উত্তেজনা ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়ে সুনসারি ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী সিরাহা ও জনকপুরেও ছড়িয়ে পড়ে। সিরাহাতেও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

কিন্তু নেপাল প্রেস কাউন্সিলের তদন্তে উঠে এসেছে যে, কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এবং অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ যাচাই না করেই বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক নানারকম তথ্য ছড়িয়েছে। প্রেস কাউন্সিল জানিয়েছে যে, ৩৪টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ৫৯ টি এবং দুটি অনিবন্ধিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দুটি কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এর মধ্যে ৩১টি সংবাদমাধ্যম ও দুটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্দেশ মেনে কনটেন্ট মুছে ফেললেও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এবং অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তা মানতে অস্বীকার করে।

প্রেস কাউন্সিলের অভিযোগ, কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচালকেরা কনটেন্ট থেকে আর্থিক আয়ের অজুহাতে সেগুলো সরাতে রাজি হয়নি । বিষয়টি নেপাল পুলিশের সাইবার ব্যুরোকে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা যায়।

গণমাধ্যম গবেষক শিবহরি গ্যাওয়ালি বলেন,' ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সময় সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়।' তার মতে, শুধু সংঘাতের ছবি তুলে ধরলে চলবে না। বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থান, সহযোগিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির ইতিবাচক দিকও সংবাদ মাধ্যমে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

কানাডার অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম নীতিশাস্ত্রের অধ্যাপক ভানু ভক্ত আচার্য বলেছেন, নেপালে এখনো অনেক মানুষ সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে বোঝেন না। ফলে ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভুয়ো তথ্যের দায়ও অনেক সময় মূলধারার সংবাদমাধ্যমের ওপর এসে পড়ে। তবে তার আরও অভিযোগ কিছু সংবাদমাধ্যমও যাচাই না করেই বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করছে।

ভাষান্তর- রুবাইয়া জেসমিন

নেপালসাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise