Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আফ্রিকা

ফিলিস্তিনপন্থী উগান্ডায় নেতানিয়াহুর ভাইয়ের ভাস্কর্য, কেন এই সিদ্ধান্ত?

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৩
ফিলিস্তিনপন্থী উগান্ডায় নেতানিয়াহুর ভাইয়ের ভাস্কর্য, কেন এই সিদ্ধান্ত?

সংগৃহীত ছবি

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে সমালোচনামুখর আফ্রিকান দেশগুলোর অবস্থানের বিপরীতে উগান্ডার সাম্প্রতিক সময়ের পদক্ষেপে তৈরি হয়েছে ভিন্ন এক বার্তা। ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় অধিকারের পক্ষে অবস্থান ধরে রেখেও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা উগান্ডা এবার এনটেবে বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কমান্ডার ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর ভাস্কর্য উন্মোচন করেছে। ইয়োনাতান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাই। ১৯৭৬ সালের জিম্মি উদ্ধারের অভিযানে নিহত ইয়োনাতানের এই স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের ঘটনা তাই উগান্ডার ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান ও ইসরায়েলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার মধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

এনটেবে অভিযানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে উগান্ডার সেনাপ্রধান মুউহুজি কাইনেরুগাবার উদ্যোগে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। রাজধানী কাম্পালা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে পুরনো এনটেবে টার্মিনালে এর উদ্বোধন করা হয়।

উগান্ডার পার্লামেন্ট বিতর্কিত ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সের (আইএসএফ) অংশ হিসেবে গাজায় উগান্ডার সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়ার কয়েক দিন আগে মূর্তিটি উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেনারেল কাইনেরুগাবা বললেন, ‘আজ এই স্মৃতিসৌধটি শুধু একজন বিশিষ্ট সেনাকে স্মরণ করার জন্যই দাঁড়িয়ে নেই, বরং তিনি যে চিরস্থায়ী মূল্যবোধ ধারণ করতেন, তারও প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।’

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনির বড় ছেলে কাইনেরুগাবা আরও বললেন, ‘স্মৃতিসৌধ স্মৃতি সংরক্ষণ করে, ইতিহাস শেখায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। তাই এই স্মৃতিসৌধের গুরুত্ব একজন সাহসী ব্যক্তিকে স্মরণ করার গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।’

মেশিনগান হাতে ইয়োনাতানের দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গিতে তৈরি মূর্তিটি উগান্ডা ও আফ্রিকার অন্যান্য অঞ্চলে বিস্ময় ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারণ গত অক্টোবর তথাকথিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনিদের হত্যা অব্যাহত রেখেছে।

এনটেবে অভিযান কী ছিল?

১৯৭৬ সালের ২৭ জুন প্যালেস্টাইন লিবারেশন ফ্রন্টের (পিএফএলপি) একটি শাখার সদস্যরা জার্মানিভিত্তিক রেভল্যুশনারি সেলের সদস্যদের সঙ্গে মিলে তেলআবিব থেকে প্যারিসগামী একটি এয়ার ফ্রান্সের বিমান ছিনতাই করে। বিমানটি এথেন্সে যাত্রাবিরতি করার পর ছিনতাই করা হয়।

বিমানটিতে ২৪৮ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১০৫ জন ছিলেন ইসরায়েলি। বিমানটি প্রথমে বেনগাজি এবং পরে উগান্ডার এনটেবে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উগান্ডার তৎকালীন শাসক ইদি আমিন নিজে ছিনতাইকারীদের স্বাগত জানান এবং তার সরকার তাদের সহযোগিতা করে।

ইসরায়েলের হাতে আটক ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য আলোচনায় বসতে ইসরায়েলি জিম্মিদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল পিএফএলপি।

এনটেবেতে পৌঁছানোর পর বেশির ভাগ অইসরায়েলি জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ইসরায়েল সরকার ছিনতাইকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।

একই সময়ে ইসরায়েল একটি উদ্ধার অভিযান প্রস্তুত করতে থাকে, যেখানে তাদের কমান্ডোদের বিমানবন্দরে অবস্থানরত উগান্ডার সেনাদের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে হতো।

৩ জুলাই ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনী হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে উগান্ডায় যায় এবং উগান্ডা সরকারের অনুমতি ছাড়াই বিমানবন্দরে অভিযান চালায়। এতে ৪৫ জন উগান্ডার সেনা এবং সব ছিনতাইকারী নিহত হয়।

ইসরায়েলি কমান্ডোরা ১০২ জন জিম্মিকে উদ্ধার করে।

ইসরায়েলি হামলাকারী বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়া ইয়োনাতান নেতানিয়াহুই ছিলেন অভিযানে নিহত একমাত্র ইসরায়েলি সেনা।

ইসরায়েলে ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’ নামে পরিচিত এই অভিযান দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসাহসী অভিযানগুলোর একটি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

ইয়োনাতান নেতানিয়াহুর মৃত্যুও ইসরায়েলে এই অভিযানকে কীভাবে স্মরণ করা হয়, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

পরিবারের অনুরোধে পরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অপারেশন থান্ডারবোল্টের নাম পরিবর্তন করে তার সম্মানে ‘অপারেশন জোনাথন’ রাখে।

এই অভিযান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ভাইয়ের মৃত্যু তাকে সন্ত্রাসবিরোধী জনমত গড়ে তোলার প্রচারে সক্রিয় করে তোলে, যা শেষ পর্যন্ত তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সূচনা করে।

অভিযানে আফ্রিকার নেতাদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?

১৯৬০-এর দশকের শুরুতেই ইসরায়েল উগান্ডাকে আফ্রিকা মহাদেশে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ দ্বার হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।

মাহমুদ মামদানি তার ‘স্লো পয়জন : ইদি আমিন, ইয়োওয়েরি মুসেভেনি, অ্যান্ড দ্য মেকিং অব দ্য উগান্ডান স্টেট’ বইয়ে লিখেছেন, ‘উগান্ডা স্বাধীন হওয়ার পরপরই ইসরায়েল দেশটির সঙ্গে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয় এবং উগান্ডাও এর জবাব দেয়।’

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ইসরায়েল উপস্থিত ছিল। তারা উগান্ডার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিত এবং উগান্ডায় দূতাবাস খোলা প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি ছিল।

ইসরায়েলি কোম্পানিগুলো উগান্ডার বিমানবন্দর ও অনেক সড়ক নির্মাণ করে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও পুলিশ কাম্পালার তাদের সমকক্ষদের প্রশিক্ষণও দিত।

১৯৭১ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইদি আমিন উগান্ডার ক্ষমতা দখল করলে ইসরায়েলি ও ব্রিটিশ সমর্থন তার পেছনে ছিল। উগান্ডার নেতা হিসেবে আমিনের প্রথম বিদেশ সফর ছিল ইসরায়েলে।

তবে ১৯৭৬ সালের মধ্যে ইসরায়েল ও উগান্ডার সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে।

১৯৭২ সালে ইদি আমিন ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন, ইসরায়েলি সামরিক উপদেষ্টাদের বহিষ্কার করেন এবং ইসরায়েলি নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেন। পরে তিনি অস্ত্র চুক্তি এবং ইসরায়েলি নির্মাণ কোম্পানিগুলোর সব প্রকল্প বাতিল করেন এবং ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকেও বহিষ্কার করেন।

১৯৭২ সালে ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) একটি প্রতিনিধিদল উগান্ডা সফরে গেলে আমিন তাদের ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের সাবেক বাসভবনে থাকার ব্যবস্থা করেন।

১৯৭৩ সালের অক্টোবরের ইসরায়েল-আরব যুদ্ধের পর আরও ২৫টি আফ্রিকান দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

উগান্ডা এবং অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিটি (ওএইউ) উভয়েই ইসরায়েলি অভিযানটির নিন্দা জানায় এবং একে ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তর সংগ্রামের অংশ হিসেবে দেখায়।

এই অভিযানকে উগান্ডার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর হামলা হিসেবে দেখা হয়েছিল।

নেতানিয়াহুর ভাস্কর্যটি কীভাবে দেখা হচ্ছে?

ভাস্কর্যটি উন্মোচনের ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে খুব বেশি আলোচিত না হলেও উগান্ডা ও আফ্রিকার অন্যান্য অঞ্চলে এটি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এই স্মৃতিসৌধকে উগান্ডা ও ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

উগান্ডায় যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আঞ্চলিকবিষয়ক সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসুমান কিয়িঙ্গি।

তিনি এই প্রতীকী বার্তাকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে বর্ণনা করে স্মৃতিসৌধটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

কিয়িঙ্গি লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে, রাষ্ট্র এমন একটি বিদেশি সামরিক বাহিনীর কমান্ডারকে সম্মান জানাতে প্রস্তুত, যে বাহিনী উগান্ডার অনুমতি ছাড়াই দেশে প্রবেশ করেছিল। অথচ এনটেবে বিমানবন্দর রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো উগান্ডার সেনাদের জন্য একই ধরনের কোনো জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না।’

তিনি আরও বললেন, ‘এটি এমন একটি শ্রেণিবিন্যাসকে আরও শক্তিশালী করে, যেখানে বিদেশি সামরিক শক্তিকে মহিমান্বিত করা হয় এবং আফ্রিকার সার্বভৌমত্বকে খাটো করা হয়।’

ভাস্কর্যটির সঙ্গে উগান্ডা-ইসরায়েল সম্পর্কের কী যোগ?

ইয়োওয়েরি মুসেভেনির সঙ্গে ইসরায়েলের কয়েক দশকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রথম ইসরায়েল সফর করেন ১৯৮৬ সালে—যে বছর তরর বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারকে উৎখাত করে পাঁচ বছরের গেরিলা যুদ্ধের পর ক্ষমতা দখল করে।

২০০৩ সালে মুসেভেনি আবার ইসরায়েল সফর করেন। তখন তার সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র কেনার চেষ্টা হিসেবে সফরটিকে দেখা হয়েছিল।

২০০৩ সালের ওই সফর নিয়ে হারেৎস লিখেছিল, ‘দেশটিতে তার পাঁচ দিনের সফরের তিন দিনই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্প পরিদর্শনে ব্যয় হবে।’

মুসেভেনি ২০১১ সালেও ইসরায়েল সফর করেন।

দুই দেশের সম্পর্ক যত গভীর হয়েছে, এনটেবে অভিযানকেও ধীরে ধীরে উগান্ডার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে দুই দেশের বন্ধুত্বের প্রতীকে রূপ দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালে অভিযানের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নেতানিয়াহু এনটেবে সফর করেন।

ওই সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে মুসেভেনি বলেছিলেন, ‘জিম্মিদের আটকে রেখে ইদি আমিন ভুল করেছিলেন এবং জিম্মিদের উদ্ধারে ইসরায়েলিরা তাদের সক্ষমতা ব্যবহার করে সঠিক কাজ করেছিল।’

২০১৬ সালে এনটেবেতে দেওয়া বক্তব্যে মুসেভেনি কয়েকবার ইসরায়েলকে ‘ফিলিস্তিন’ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি এনটেবে অভিযানকে ‘ফিলিস্তিন ও আফ্রিকার মধ্যে’ একটি বন্ধন হিসেবে বর্ণনা করেন।

আগস্টের শুরুতে ভাস্কর্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে তার ছেলে জেনারেল কাইনেরুগাবাও ১৯৭৬ সালে আমিন সরকারের কর্মকাণ্ড থেকে বর্তমান উগান্ডাকে দূরে রাখার কাম্পালার প্রচেষ্টাকে আরও জোরালো করেন।

তিনি বলেছিলেন, ‘আজ আমরা সেই উগান্ডার সেনাদেরও স্বীকৃতি জানাই, যারা সেদিন সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন এবং মনে করেছিলেন, তারা একটি ন্যায্য কারণের জন্য লড়ছেন।’

তিনি আরও বললেন, ‘অবশ্য আজ আমরা জানি, তারা যে ইদি আমিন সরকারের হয়ে দায়িত্ব পালন করতেন, সেটি ছিল একটি নৃশংস স্বৈরশাসন, যা কোনোভাবেই উগান্ডার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করত না।’

দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও আলজেরিয়ার মতো দেশগুলো ফিলিস্তিনিদের অন্যতম সোচ্চার সমর্থক হিসেবে অবস্থান ধরে রাখলেও উগান্ডা, কেনিয়া ও ঘানার মতো দেশগুলো আফ্রিকা জুড়ে ইসরায়েলের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক গভীর করার প্রচেষ্টার প্রতি তুলনামূলকভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য অবস্থান নিয়েছে।

তবে এই উন্মুক্ত অবস্থান ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে ইসরায়েলের নীতির প্রতি উগান্ডার পূর্ণ সমর্থনে পরিণত হয়নি। কাম্পালা এখনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান করছে।

সূত্র : মিডলইস্ট আই

উগান্ডাবেনিয়ামিন নেতানিয়াহুফিলিস্তিনইসরায়েলভাষ্কর্য
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise