Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় আফ্রিকা

যে দেশে মানুষ ‘রোলেক্স’ খায়

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ০৯:২০
যে দেশে মানুষ ‘রোলেক্স’ খায়

‘রোলেক্স’ বানাচ্ছেন এক যুবক। ছবি : সংগৃহীত

উগান্ডায় ‘রোলেক্স’ নিয়ে বেশ মজার এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে পারেন যে কেউ। সেখানে কাউকে রোলেক্সের কথা বলতে শুনলে চমকে যাওয়ার কিছু নেই। তারা আসলে হাতে পরার দামি কোনো ঘড়ির কথা বলছেন না, উগান্ডার মানুষের প্রতিদিনের প্রিয় এক খাবারের নামই হলো ‘রোলেক্স’।

দেশটির স্ট্রিট ফুড থেকে শুরু করে বড় বড় রেস্তোরাঁ— সবখানেই এখন এই রোলেক্সের রাজত্ব। আভিজাত্যের প্রতীক নয়, উগান্ডানদের কাছে রোলেক্স মানেই হলো জিবলকানো স্বাদের এক দারুণ খাবার।

এই ‘রোলেক্স’ নামের পেছনে রয়েছে মজার এক ইতিহাস। এটি মূলত ইংরেজি শব্দ রোলড এগস থেকে এসেছে। উগান্ডার মানুষ দ্রুত উচ্চারণ করতে করতে রোলড এগসকে বানিয়ে ফেলেছে ‘রোলেক্স’।

উগান্ডার স্ট্রিট ফুড থেকে শুরু করে বড় বড় রেস্তোরাঁ–সবখানেই এখন এই রোলেক্সের রাজত্ব।মূলত পাতলা অমলেটকে চ্যাপাটির ওপর রেখে সবজিসহ গোল করে মুড়িয়ে এটি তৈরি করা হয়।

এই খাবারের মূলে রয়েছে ভারতের চ্যাপাটি। গত শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশরা যখন রেললাইন তৈরির জন্য ভারতীয় শ্রমিকদের উগান্ডায় নিয়ে আসে, তখন তাদের হাত ধরেই হাতে তৈরি রুটি সেখানে জনপ্রিয় হয়। উগান্ডানরা এই চ্যাপাটিকে নিজেদের মতো করে কিছুটা নরম আর মুচমুচে বানিয়ে নেয়।

এরপর ৯০-এর দশকে কাম্পালার মেকেরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে এটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। সস্তা, ঝটপট তৈরি হয় এবং খেতে সুস্বাদু–এই তিন গুণের কারণে এটি এখন দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড।

ইমানুয়েল জোনাথন ওকেল্লো নামের এক তরুণ এই রাস্তার খাবারকেই নিয়ে এসেছেন রেস্তোরাঁয়। তার রেস্তোরাঁ দ্য রোলেক্স গাই এখন উগান্ডায় বেশ পরিচিত।

এই ‘রোলেক্স’ নামের পেছনে রয়েছে মজার এক ইতিহাস। এটি মূলত ইংরেজি শব্দ রোলড এগস থেকে এসেছে। উগান্ডার মানুষ দ্রুত উচ্চারণ করতে করতে রোলড এগসকে বানিয়ে ফেলেছে ‘রোলেক্স’।

ওকেল্লো জানালেন, তিনি একবার নীল নদের উৎসস্থল জিনজায় গিয়ে এক বিক্রেতাকে দেখেছিলেন রোলেক্সের ভেতর ভুঁড়ি ভাজি দিতে। সেখান থেকেই তার মাথায় আসে, রোলেক্সের ভেতর যা ইচ্ছা তাই দেওয়া সম্ভব।

এখন তার রেস্তোরাঁয় বিফ সসেজ, চিকেন কারি, বেকন, অ্যাভোকাডো এমনকি কিমা দেওয়া রোলেক্সও পাওয়া যায়। ফলের তৈরি রোলেক্স নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেও উগান্ডার মানুষ তা খুব একটা পছন্দ করেনি। তার রেস্তোরাঁয় সাড়ে ৫ ডলারে পাওয়া যায় সবকিছুর মিশ্রণে তৈরি শেফ স্পেশাল রোলেক্স।

রোলেক্স শুধু উগান্ডার ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই। কেনিয়া, রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডিতেও এটি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি জোহানেসবার্গের বিলাসবহুল রেস্তোরাঁতেও এখন আফ্রিকান খাবারের প্রতিনিধি হিসেবে রোলেক্স জায়গা করে নিয়েছে।

পাতলা অমলেটকে রুটির ওপর রেখে সবজিসহ গোল করে মুড়িয়ে তৈরি করা হয় রোলেক্স।বিভিন্ন দেশে এর ধরনেও আসছে পরিবর্তন। কোনো রেস্তোরাঁয় গ্রিক সালাদ দিয়ে এটি বানানো হচ্ছে, আবার ইথিওপিয়ানরা এতে যোগ করছে তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘শিরো’ স্ট্যু। লেখক জোনাথন কাবুগো তো ‘হাউ টু রোলেক্স’ নামে একটি রান্নার বই লিখে ফেলেছেন।

বিলাসবহুল ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলেক্সের সাথে নামের মিল থাকায় মাঝেমধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও উগান্ডার মানুষ তা নিয়ে চিন্তিত নয়।

কাবুগো হেসেই বলেছেন, দেশের ৬ কোটি মানুষ এটাকে রোলেক্স নামেই চেনে। এখন আর ফেরার পথ নেই। বরং ওই ঘড়ি কোম্পানি চাইলে গর্ব করতে পারে, তাদের নামটা এভাবে মানুষের মুখে মুখে ছড়াচ্ছে।

সূত্র : সিএনএন

খাবাররোলেক্স
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise