Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের স্বপ্নের ফেরিওয়ালা সামাদ
শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

সুদানে দুই লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

আগামীর সময় প্রতিবেদন
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪৩
সুদানে দুই লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সুদানের করদোফান অঞ্চলে গৃহযুদ্ধ ও বন্যায় বাস্তুচ্যুত হয়েছেন দুই লাখের বেশি মানুষ। গত বুধবার এ তথ্য প্রকাশ করে জাতিসংঘ। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, সুদানে সংঘাত তীব্রতর হওয়ার পাশাপাশি মৌসুমি বন্যা সেখানকার মানবিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। দেশটিতে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে অব্যাহত গৃহযুদ্ধ। সুদানের সশস্ত্র বাহিনী এবং বিদ্রোহী ‘র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’-এর চলমান সংঘাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৫৯ হাজার সুদানি। ৮৬ লাখ মানুষ এরই মধ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোয় আছে আশ্রয় নিয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, করদোফানের বৃহত্তম শহর এল-ওবেইদেরে ড্রোন হামলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোর। উপস্থিত এই সংকটের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যাও। আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেছেন, ‘সতর্কসংকেতগুলোকে উপেক্ষা করা অসম্ভব। সুদানের সর্বত্র পরিবারগুলো সহিংসতা থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, পানি, বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং এখন তারা ধ্বংসাত্মক বন্যার বাড়তি বোঝা ও সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে।’ সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, করদোফানের শেইকান জেলায় গত আট মাসে বাস্তুচ্যুতির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ শতাংশ। চলমান সংঘাতে র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস আল-ওবেইদেরের প্রধান বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমারে চালায় ড্রোন হামলা। এতে পানি পাম্প করা, হাসপাতাল চালানো এবং টেলিফোন লাইন সচল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলে।

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, সুদানের ব্লু নাইল রাজ্যে প্রায় ৭৮ হাজার মানুষ পালিয়ে গেছেন তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে। চলতি মাসের প্রথমার্ধে পশ্চিম দারফুরে আরও প্রায় ১৮ হাজার মানুষ হয়েছেন বাস্তুচ্যুত। একই সময়ে উত্তর দারফুরে প্রবল বৃষ্টিপাতে ক্ষতির শিকার হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩৫০টি ঘরবাড়ি এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক হাজারের বেশি পরিবার। পোপ আরও বলেছেন, ‘সুদান বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বাস্তুচ্যুতি সংকটের সম্মুখীন। সংঘাত, অবকাঠামোর ক্ষতি এবং বন্যার সম্মিলিত প্রভাব হাজার হাজার পরিবারকে তাদের সহ্যক্ষমতার চরম সীমায় ঠেলে দিচ্ছে।’

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সুদানে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রায় ৮৬ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এ ছাড়া ৪২ লাখের বেশি মানুষ পালিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোয় আশ্রয় নিয়েছেন। সংস্থাটির আন্দাজ, এই সময়ে প্রায় ৩ কোটি ৩৭ লাখ মানুষের মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। ‘সুদান ট্রিবিউন’-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে এল-ওবেইদের জনসংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার। তবে বর্তমানে তা বেড়ে ৩৪ লাখে পৌঁছেছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। মানবাধিকার সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ৩৯ হাজার শিশু এই শহরে এসে পৌঁছেছে।

সুদানগৃহযুদ্ধবাস্তুচ্যুতবন্যাবিদ্রোহীকরদোফান
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise