দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে কলার বাগান এলাকায় ঘাস ও কাঁঠালপাতার স্তূপ নিয়ে বসে আছেন আবদুল হামিদ। সড়ক দিয়ে চলাচল করা পরিচিত ক্রেতাদের কেউ কেউ ডাক দেন, ‘হামাক এক বোঝা ঘাস দেও, মাস্টার।’ ক্রেতার চাহিদা মতো ঘাস কিংবা পাতা তুলে দেন তিনি। বিক্রি শেষে হাতে আসে কয়েক শ টাকা। সেই টাকাতেই চলে সংসারের খরচ।৫৯ বছর বয়সী আবদুল হামিদ শুধু ঘাস-পাতার ব্যবসায়ী নন, তিনি একজন শিক্ষকও। দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চবিদ্যালয়ে কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে ২৪ বছর ধরে পাঠদান করছেন। অথচ দীর্ঘ...