বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩০০ এমএ এক্স-রে মেশিনটি দুই মাস ধরে নষ্ট। ফলে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। এ বিষয়ে টেকনোলজিস্ট মো. শাহ বিদারুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের এ হাসপাতালে ২০২০ সালে ৩০০ এমএ একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ আসে। তখন থেকে ১০০ এমএ মেশিনের পরিবর্তে ৩০০ এমএ এক্স-রে মেশিন দিয়ে কাজ চালিয়ে আসছি। ১০০ এমএ এক্স-রে মেশিনের চেয়ে ৩০০ এমএ মেশিনের কাজ অনেকটা স্বচ্ছ ও ভালো। দুই মাস আগে হঠাৎ ৩০০ এমএ এক্স-রে মেশিনটি অচল হয়। নিরুপায় হয়ে ১০০ এমএ মেশিন দিয়ে কাজ চালিয়ে আসছি। বিষয়টি...