নিস্তব্ধ চোখে নদীর উত্তাল স্রোতের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সিরাজুল হক। কিছুক্ষণ আগেও যেখানে ছিল তার দুই কক্ষের ঘর, সেখানে এখন শুধু ঘোলা পানির স্রোত। বহু বছরের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ে গড়ে তোলা বসতভিটা একে একে গিলে খাচ্ছে বাঁকখালী নদী। চোখের সামনে নিজের শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে বিলীন হতে দেখে যেন ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, পরিবার নিয়ে কোথায় যাবেন?রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দৌছড়ি দক্ষিণকুল পূর্বপাড়ায় টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাকখালী নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর...