মাস জুড়ে পরিশ্রম করি। কাজ করি মালদ্বীপের
মিলানদু আইল্যান্ডে। মাস শেষে বেতন হাতে আসে মালদ্বীপের মুদ্রা রুফিয়ায়। সেই বেতনের
একটি অংশ দেশে পাঠাতে চান প্রবাসীরা। উদ্দেশ্য একটাই— পরিবারের খরচ, সন্তানের পড়াশোনা,
বাড়িঘর কিংবা ভবিষ্যতের জন্য কিছু সঞ্চয়। কিন্তু উপার্জনের টাকা দেশে পাঠাতেই শুরু
হয় বিড়ম্বনা।
রুফিয়া সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলে বাংলাদেশে
পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে আমাদের বিকাশ, নগদ কিংবা ব্যক্তিগত ব্যবস্থার
ওপর নির্ভর করতে হয়। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষত...