খাঁচার সামনে শিশুরা ভিড় করছে, কিন্তু সিংহটির যেন তাতে কোনও আগ্রহ নেই। মাথা তুলতেও তার কষ্ট। পাশের ঘেরে চুপচাপ বসে কয়েকটি শিম্পাঞ্জি। একসময় দর্শকদের কোলাহলে যে প্রাণীরা সাড়া দিত, প্রায় তিন বছরের যুদ্ধ, ক্ষুধা আর একের পর এক বাস্তুচ্যুতি যেন তাদেরও নিস্তেজ করে দিয়েছে। অথচ একটু দূরেই একটি তোতা এসে বসছে শিশুর কাঁধে, ছোট বানরের গায়ে হাত বুলিয়ে হাসছে কেউ। চারপাশে ধ্বংসস্তূপ আর তাঁবুর শহর, তার মাঝখানে এই সামান্য হাসিটুকুই এখন গাজার নুসেইরাতের ছোট্ট চিড়িয়াখানার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
মঙ্গলবার...