ছেলেবেলার বারোটি বছর আমার কেটেছে বিক্রমপুরের মেদিনীমন্ডল গ্রামে, নানির কাছে। গ্রামটি বিশাল, দুই ভাগে বিভক্ত। উত্তর মেদিনীমন্ডল ও দক্ষিণ মেদিনীমন্ডল। আমার নানাবাড়ি উত্তর মেদিনীমন্ডলে। যোগেন্দ্রনাথ গুপ্তের ‘বিক্রমপুরের ইতিহাস’ গ্রন্থে কী যেন কী কারণে এই গ্রামটির নাম নেই। অন্য লেখকদের লেখায় মেদিনীমন্ডলের নাম পাওয়া যায়। উত্তর মেদিনীমন্ডলের নামকরা মানুষ আলতাবউদ্দিন সারেং আমার নানা। সেই বাড়ির বাগানের দিককার একটি আমগাছের তলায় আমার নাড়ি পোঁতা। এ কারণেই নাকি গ্রামের গাছপালা, চক, মাঠ, বিল আর মানুষজন দেখে...