কবি মণীন্দ্র গুপ্তকে পড়তে যাওয়া মানে এক ভিনগ্রহে পা রাখা। যে গ্রহে নগর আছে, কিন্তু নাগরিক ক্লান্তি নেই; গ্রাম আছে, কিন্তু গ্রামীণ পলায়ন নেই; আধুনিকতা আছে, কিন্তু তার ভেতরে আছে চিরকালীন এক জীবনের স্পন্দন। বাংলা কবিতার অভিমুখ যখন ব্যক্তিগত নিঃসঙ্গতা, হতাশা আর বিচ্ছিন্নতার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই তিনি এসে দাঁড়ালেন যেন— শঙ্খ ঘোষ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শক্তি চট্টোপাধ্যায়দের বৃত্ত থেকে সম্পূর্ণ সরে গিয়ে এবং দেখালেন, আধুনিক হওয়ার মানে সমকালীনতাকে অস্বীকার করা নয়, বরং তার ভেতরে চিরকালীন আবে...