মেয়ের বাবা প্রায় আট বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাই সংসারে হাল ধরার মতো তেমন কেউ না থাকায় দুশ্চিন্তা ভর করে মায়ের। একদিকে, সংসারের চাকা সচল রাখা। অন্যদিকে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার পাশাপাশি বিবাহযোগ্য মেয়েকে ভালো পাত্রের হাতে তুলে দেওয়া। হঠাৎ করে ভালো পাত্রের সঙ্গে বিয়ের সমন্ধ ঠিক হলেও দুশ্চিন্তা ভর করে বিয়ের খরচাপাতি নিয়ে। এরই মধ্যে একটি এনজিওর মাধ্যমে খোঁজ পান একজন মানবিক ও মহৎ মানুষের। যিনি এরই মধ্যে ১০৮টি এতিম ও দরিদ্র পরিবারের মেয়ের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ে দিয়েছেন।সেই মানুষটি হলেন নাটো...