একসময় চোখের সামনে ছিল শুধুই অনিশ্চয়তা আর দেশে ফেলে আসা পরিবারের চিন্তায় বিনিদ্র রজনী। বিশেষ করে অতিরিক্ত কর্মীর ভিড়ে যখন মালয়েশিয়ায় কাজ জোটা কঠিন হয়ে পড়েছিল, তখন অনেকেই পার করেছেন মানবেতর জীবন। সেই ঘোর অমানিশা কাটিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার এখন নতুন করে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ১১ বছর ধরে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা শাহীন আলম। দীর্ঘদিনের সাময়িক সংকট আর অনিশ্চয়তা পেরিয়ে শাহীনের মতো লাখো প্রবাসীর জীবনে এখন বইতে শুরু করেছে স্বস্তির হাওয়া। অবৈধ কর্মীদের নিয়মি...