মানুষের কাছ থেকে কম দামে ছেঁড়া-ফাটা-ময়লা বা ত্রুটিযুক্ত নোট সংগ্রহ করেন মো. মিজানুর রহমান। পরে সেই নোট বাংলাদেশ ব্যাংকে বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন বা প্রচলনযোগ্য নোট নিয়ে মুনাফা অর্জন ও জীবিকা নির্বাহ করেন। লাভের আশায় পর্যায়ক্রমে তিনি ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার পুরনো নোট জমা দেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখায়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নোট গ্রহণ করে লাগিয়ে দেয় ‘বিক্রীত’ সিলমোহর। পরে বিনিময়মূল্য না দিয়ে সে নোটই ফেরত দিয়েছে তাকে। এখন সিলমোহরযুক্ত নোটগুলো নিচ্ছে না অন্য কোনো ব্যাংক।শুধুই মো. মিজানুর রহমানই নন, বাংলাদেশ ব...