গাড়ির ছাদে স্পষ্ট করে আঁকা ছিল ত্রাণসংস্থার প্রতীক। যাত্রাপথের তথ্যও জানানো হয়েছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে। তার পরেও গাজার রাস্তায় একের পর এক ড্রোন হামলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় ত্রাণবাহী তিনটি গাড়ি। মারা যান সাত মানবিক সহায়তাকর্মী। দু’বছরের বেশি সময় পরে সেই ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত না চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল। আর তাতেই এ বার একসঙ্গে ক্ষোভে ফেটে পড়ল ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা। শুক্রবার তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের সিদ্ধান্তকে সরাসরি ‘লজ্জাজনক’ বলা হয়েছে। ঘটনাটি ১ এপ্রিল ২০২৪-এর...