রাত আরেকটু গভীর হলে আমাদের ছোট্ট দলটি বেরিয়ে পড়ল। কৃষ্ণপক্ষের চাঁদে ভুতুড়ে অন্ধকার দূর তো হচ্ছেই না, বরং একটু একটু করে ঠেলে দিচ্ছে যেন রহস্যময় আঁধারের দিকে। বোটের ইঞ্জিনের ভটভট ছাড়া আর কোনো আওয়াজ নেই। সেটিও থেমে গেল খানিক বাদেই। নদী থেকে একটা খালে ঢুকে পড়লাম আমরা। আমাদের চালক বন্ধুটি সন্তর্পণে আধডোবা এক ঝাঁকড়া মতন কেওড়ার ডালের সঙ্গে নোঙর করলে আমরা গল্প জুড়ে দিলাম।
গল্পের ফাঁকে ফাঁকেই আমাদের দলনেতা টর্চের আলো ফেলে এদিক-সেদিক দেখছিলেন। ভাটার স্রোতের টানে গাছের ডালপালা ভেসে যাচ্ছে। ওরই...