তিনি দেখতে দারুণ সুপুরুষ। লম্বা গড়ন, মাথায় সেই সোনালী চুল নেমে এসেছে কাঁধ পর্যন্ত। এই চুল নিয়েই বিপত্তি বেধেছিল ’৯৪ বিশ্বকাপে, আর্জেন্টিনার কোচ ড্যানিয়েল প্যাসারেলা চুল ছোট করার আদেশ দিলেও তা মানেননি ক্লদিও ক্যানিজিয়া। আজও ফর্টিসের মাঠে সেই চুল চুল দিয়ে তাকে চিনে নিয়েছে নব্বইয়ের দশকের ফুটবলানুরাগীরা। চেনার আরেকটা বড় উপায় হলো আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যরাডোনার বন্ধু ক্যানিজিয়া। সেই প্রয়াত বন্ধুকে স্মরণ করে সাবেক এই ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘সে আমার বন্ধু, তাকে অনেক মিস করি। অনেক বছর এক সঙ্গে খেলেছি।...