পাসবইয়ে ঋণ পরিশোধের হিসাব থাকলেও অফিসের লেজারে বকেয়া। ঋণ শোধ করেও মিলছে না মুক্তি, উল্টো নতুন করে টাকা পরিশোধের জন্য দেওয়া হচ্ছে চাপ। কারও কাছে দাবি করা হচ্ছে ৪০ হাজার টাকা, কারও কাছে ২২ হাজার। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ে ঋণের কিস্তির টাকা আত্মসাৎ ও হিসাবের গরমিলের অভিযোগে এমন ভোগান্তিতে পড়েছেন একাধিক ঋণগ্রহীতা। অভিযোগের কেন্দ্রে আছেন কার্যালয়টির সাবেক ঋণ আদায়কারী কর্মকর্তা রাজু।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তারা নিয়মিত কিস্তির টাকা রাজুর হাতে জমা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি সেই টাকা কার্যা...