মেশিনে তৈরি জালের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে হাতে বোনা জাল। কমেছে চাহিদা, কমেছে বিক্রিও। তবু সুঁই-সুতো হাতে কাজ করে চলেছেন বাদল কান্তি দে। একটি জাল তৈরি করতে কখনো ৬ থেকে ৯ মাসও লেগে যায়। দীর্ঘ শ্রমের পর সেই জাল বিক্রি হয় ছয় থেকে ৭ হাজার টাকায়। অথচ এত পরিশ্রমের বিনিময়ে লাভ থাকে সামান্যই। তারপরও এই পেশা ছাড়েননি তিনি। কারণ, জাল বুনেই একসময় গড়েছেন সংসার, সন্তানদের পড়াশোনা করিয়েছেন, দিয়েছেন মেয়েদের বিয়ে এবং ছেলের সংসারও সাজিয়েছেন।লালদীঘির পশ্চিম পাড়ের নবগ্রহ বাড়ির প্রবেশদ্বারে দেয়ালে স্ট্য...