“প্রীতির বিএ পরীক্ষার আগে ওর বাবার (জগদ্বন্ধু ওয়াদ্দেদার) চাকরি যায়। ফলে প্রীতির আয়ের ওপরই নির্ভর করে চলতে হতো তাদের। মা, বাবা আর চার ভাইবোন। সে নন্দনকানন হাইস্কুলে মাস্টারি করত। মেয়ের শোকে বাবা পাগলের মতো হয়ে গেলেন। কিন্তু প্রীতির মা গর্ব করে বলতেন, ‘আমার মেয়ে দেশের কাজে প্রাণ দিয়েছে।’ তাদের দুঃখের পরিসীমা ছিল না। ধাত্রীর কাজ নিয়ে তিনি সংসার চালিয়ে নিয়েছেন।”
বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যুর পর পরিবারটির দুর্দশার এমন চিত্র উঠে আসে সহযোদ্ধা বিপ্লবী কল্পনা দত্তের স্মৃতিকথায়। প্রীতির মা প্র...