পালঙ্ক
থেকে পালঙ্কে, নিঃশ্বাস থেকে নিঃশ্বাসে, বালিশ
থেকে বালিশে, ঘর থেকে ঘরে
নৈঃশব্দ্য ছড়িয়ে যেতে যেতে এমন
একটা অবস্থানে এনে দাঁড় করায়
যে, কুমার কঙ্কনের দুই হাত আঁকড়ে
ধরে বলেই ফেলে, ‘আজীবন
শুধু তোমার মতো একজনকেই চেয়েছি
আমি।’ আসলে ‘আমি আর কাজলরেখাকে
চাই না’— কথাটা গোপন
রাখলে নিষিদ্ধ সঙ্গম হয়ে ওঠে পবিত্র,
আবিরমাখা। রঙে রঙে জড়িয়ে
কুমার দেহ ভরো ভরো
সুখে তাই কাজলরেখার দেহের
রঙ, ঘ্রাণ, উষ্ণতা, সান্নিধ্য সব ভুলে যেতে
থাকে। ভুলে ভুলে কঙ্কনের
নগ্ন ডানায় মাথা রেখে ঘুমিয়ে
যায়। ওদিকে কাজলরে...