মোহাম্মদপুরের
একটি বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করেন ষাটোর্ধ্ব
তাজেল মিয়া। ‘রূপবান’ যাত্রাপালায় তাজেল চরিত্র দেখে মুগ্ধ হয়ে
তার বাবা রুস্তম মিয়া
সন্তানের নাম রেখেছিলেন তাজেল।
একসময় পল্লীর জনজীবনে যাত্রাপালা ভীষণ প্রভাব ফেলেছিল।
তাজেল বলছিলেন, ‘কত রাইত যে
যাত্রাপালা দেইখ্যা কাটাই দিছি, তার হিসাব নাই।’
অন্যদিকে,
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চৌপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল কাদের মোল্লা, পেশায় নৈশপ্রহরী। ৫০ বছরের বেশি
সময় ধরে দিনের বেলায়
রাজার পোশাক পরে ঘোড়ায় চড়ে
গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াতেন। ২০২...