রংপুরের আলোচিত চার খুনের মামলার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব না মেলায় প্রাথমিক পর্যায়ে করা পুলিশের দাবি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে। একইসঙ্গে গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার আগে এবং পরে ইয়াবা সেবনের যে স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে তোলপাড়। এ নিয়ে চিকিৎসক ও পুলিশ বলছে, শরীরে মাদক সেবনের প্রমাণ থাকে সর্বোচ্চ সাত দিন। যেহেতু ঘটনার ৮ম দিনে আসামিদের ডোপ টেস্ট করা হয়েছে, সেহেতু মাদকের নমুনা না পাওয়াই স্ব...