হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তখন মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন এস এম তাইজুল ইসলাম। দুই কিডনি অকেজো হয়ে গেছে, নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা। তবে যে পরিবারে একবেলা খাবার জোগাড় করাই কঠিন ছিল, তাদের কাছে এত টাকা ছিল অকল্পনীয়।তাইজুলের মনে তখন একদিকে বেঁচে থাকার আকুতি, অন্যদিকে মায়ের স্বপ্ন। মাত্র আড়াই বছর বয়সে বাবাকে হারানো ছেলেটিকে নিয়ে মা হাওয়া বেগমের একটাই স্বপ্ন ছিল- ছেলেকে পড়াশোনা করিয়ে একদিন বিচারকের আসনে বসাবেন। মৃত্যুর সঙ্গে সেই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী...