২০২৫ সালে ক্লাবের বারে ৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকার মদ বিক্রি হয়। এই মদ কোথা থেকে আমদানি হলো; কিংবা কার কাছ থেকে কেনা হলো, এর কোনো উৎস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিজেরা আমদানিও করেনি। যারা আমদানি করেন তাদের কাছ থেকেও কেনার তথ্য নেই। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, ভেজাল মদে মারাত্মক স্বাস্থ্যহানি হচ্ছে না তো! আর এই ভেজাল ও নিম্নমানের মদ চোরাবাজার থেকে কম দামে কিনে বেশি দামে সরবরাহ করছে ক্লাবেরই কয়েকজন। এরকম মারাত্মক অনিয়মের বিষয়টি প্রথম সামনে আসে ক্লাব মেম্বার (বার ইনচার্জ) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও বারের ম্যানেজার কাজী আব...