আমবাগানে পড়েছিল পরিচয়হীন নারীর মরদেহ। ফিঙ্গারপ্রিন্টেও মেলেনি পরিচয়। ফেসবুকে ছবি পোস্টের এক দিন পর জানা গেল, তিনি মিথিলা আক্তার পিংকী। এরপর মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ আর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে প্রেম ও বিয়ের জন্য চাপ ঘিরে হত্যার রহস্য। পিংকীর পরিচয় শনাক্তের পর ঘুরে যায় তদন্তের মোড়। প্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্ত করা হয় সন্দেহভাজন খুনিকে। শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে যিনি পিংকীকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে দেন জবানবন্দিও। এরপর সবকিছু তুলে ধরে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস...