মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন করার পর জীবনের শেষ সময়ে একটি পাকা ঘরে নিশ্চিন্তে থাকার স্বপ্ন দেখেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কিয়ামউদ্দিন সরদার। সরকারি বরাদ্দে সেই ঘর নির্মাণের জন্য ভেঙে দিয়েছিলেন নিজের জরাজীর্ণ টিনের ঘরটিও। কথা ছিল, দুই মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে নতুন ঘর। কিন্তু কাজ শুরুর আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও বসবাসের উপযোগী হয়নি ঘরটি। এখন প্যারালাইসিসে আক্রান্ত এই বীর মুক্তিযোদ্ধা স্ত্রীর সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন অন্যের বাড়িতে।
একই দুর্ভোগে পড়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার আরও পাঁচ বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদে...