বাবা মো. হাফিযুর রাহমান খানের হাত ধরে একদিন কলেজে গিয়েছিলেন
রিদিতা খানম অর্পা। পথে হয়তো স্বপ্ন বুনেছিলেন, পড়াশোনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়াবেন,
মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাবেন। তার বয়স তখন সবে বাইশ। আজ সেই হাত আর বই-খাতা বহন করে
না। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শিরায় কেমোথেরাপির ওষুধ নিতে নিতে মা-বাবাকে সান্ত্বনা
দেন, ‘একদিন আমি সুস্থ হয়ে যাব।’ মা-বাবা জানেন বাস্তবতা; দরজার আড়ালে গিয়ে কাঁদেন।
৫ জুন ২০২৪। অর্পার পরিবারের জন্য ছিল বিভীষিকাময় দিন। চিকিৎসক
জানালেন, অর্পার শরীরে বাসা বেঁধেছে...