জাপান সফরের জট খুলেছে নবাগতদের

অলিম্পিকভুক্ত ২৭ ক্রীড়া ফেডারেশনের নেতৃত্বে পরিবর্তনের পর থেকেই জাপানে হতে যাওয়া ২০তম এশিয়ান গেমসে কন্টিনজেন্টের সঙ্গী হতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছিলেন নবাগত কর্মকর্তারা। তবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন বরাবরই বলে এসেছে, শেষ মুহূর্তে নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তাদের হাতে নেই। এ নিয়ে ফেডারেশনগুলোর মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল তীব্র ক্ষোভের। বিষয়টির সমাধান করতে পারেননি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শেষমেশ বিওএ সভাপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের উদ্যোগে কর্মকর্তাদের জাপান সফরের পথ খোলে।
এতদিন যিনি নেতিবাচক কথা বলে এসেছেন, গেমসে অংশগ্রহণকারী ফেডারেশনের কর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের সভার পর সেই বিওএ মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানাই বলেছেন আশার কথা— ‘সংকট সমাধানের পথে। নাম পরিবর্তন ও অন্তর্ভুক্তির যে বিষয়টি ছিল সেটা অলিম্পিক কমিটি অফ এশিয়া (ওসিএ) এখন ইতিবাচকভাবে দেখছে। আমাদের সভাপতির সঙ্গে তাদের আলোচনার পরই এটি হচ্ছে। আমরা ওসিএতে তালিকা আবার পাঠাব এবং আশা করছি এবার হয়ে যাবে।’
বুধবার সন্ধ্যায়ও বিওএর সহসভাপতি মেজর ইমরোজ আগামীর সময়ের কাছে দাবি করেছিলেন, তাদের নাম পরিবর্তনের অনুরোধ ওসিএ থেকে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কথা। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তারাই এখন সুর পাল্টে অন্য কথা বলছেন। এ মাসের শুরুতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ২৭টি ফেডারেশনে নতুন অ্যাডহক কমিটি বসালে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন বিওএর দুই কর্তা। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলও দায়িত্বে থাকাদের কন্টিনজেন্টে অংশ হওয়ার পক্ষে রায় দেন। এরপরই বিওএ সভাপতি উদ্যোগী হন সমস্যা সমাধানে। রানা বলেছেন, ‘ওসিএ কার্ডের বিষয়টি দেখবে। কার্ড তারা এখানে পাঠাবে নাকি সেখানে গিয়ে নিতে হবে তারাই জানাবে। আমরা পাসপোর্ট, ছবি, প্রয়োজনীয় যা দরকার তাদের পাঠাব।’






