বিশ্বকাপ
তীব্র সমালোচনার মুখে কাসেমিরো

সংগৃহীত ছবি
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের অভিযান শুরু হয়েছে হোঁচট খেয়ে। নিউ ইয়র্ক -নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতা ফেরালেও রক্ষণের দুর্বলতা ও মাঝমাঠে কর্তৃত্বের অভাব ম্যাচ-পরবর্তী আলোচনায় উঠে এসেছে।
বিশ্বকাপ অভিষেকেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েন আর্সেনাল ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল। ম্যাচের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ হন তিনি, বারবার পজিশন ছেড়ে দেখা যায় তাঁকে। ২১তম মিনিটে রক্ষণভাগে বিপর্যয় নামে — গ্যাব্রিয়েল, মার্কিনিওস ও গোলরক্ষক আলিসনের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে বিভ্রান্তির সুযোগ কাজে লাগান মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি। বক্সের বাইরে থেকে চতুর ফিনিশে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।
রক্ষণের পাশাপাশি মাঝমাঠও ছিল সমালোচনার তোপের মুখে। সাবেক লিভারপুল ও ব্রাজিল মিডফিল্ডার লুকাস লেইভা দলের ভারসাম্যহীনতা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সিবিএস স্পোর্টসে লুকাস বলেন, ‘ম্যাচের আগে থেকেই ব্রাজিলের ব্যালেন্স নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। মাঝমাঠে সেলেসাও কখনোই নিয়ন্ত্রণে ছিল না — কাসেমিরো সংগ্রাম করেছেন, তাই তাকে বিরতিতে তুলে নেওয়া হয়েছে। আক্রমণেও ব্রাজিল যতটা ভয়ংকর হওয়ার কথা, তা হয়নি। সামগ্রিকভাবে পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক এবং দলের ভারসাম্য ঠিক ছিল না।’ কঠিন প্রথমার্ধের পর বিরতিতেই মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয় অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে।
ম্যাচ শেষে ডাগআউটে থাকা আনচেলত্তি সততার সঙ্গে দলের ব্যর্থতার কথা মেনে নেন। তিনি ইঙ্গিত দেন, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের চাপ তার খেলোয়াড়দের উপর প্রভাব ফেলেছে। ভিনিসিয়ুসের অসাধারণ দক্ষতায় বিরতির আগে সমতা ফেরানো সম্ভব হলেও প্রথমার্ধ ছিল হতাশাজনক।


