Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সোয়া লাখ গাছ লাগিয়েছেন রাজ্জাক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিশ্বকাপ

স্মরণীয় ১০ ম্যাচ

ফাহিম মাশরুর
ফাহিম মাশরুর
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৫:৪২
শেয়ার করুন:
স্মরণীয়  ১০ ম্যাচ

ফুটবল বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এর অন্য নাম ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’। ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় মঞ্চ। চার বছর পরপর এই মঞ্চে জন্ম নেয় নতুন নায়ক, ভেঙে যায় পুরনো রেকর্ড, আবার কখনো কোনো একটি ম্যাচ ছাপিয়ে যায় পুরো আসরকেই।

২০২২ আসরের ফাইনালকে ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচ ধরা হয়। যে রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে ছড়িয়েছিল উত্তেজনা। শ্বাসরুদ্ধকর সেই ফাইনালের রাত দুহাত ভরিয়ে দিয়েছিল লিওনেল মেসির। ফুটবল ইতিহাসে এমন অনেক ম্যাচ আছে, যা আকর্ষণের মাপকাঠিতে ছাড়িয়ে যায় একটির চেয়ে অন্যটিকে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি ম্যাচের তালিকা করলে সেখানে নিশ্চিতভাবে জায়গা পাবে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, পেলের রাজত্ব কিংবা ব্রাজিলের লজ্জার হার। মহাগুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচগুলো নিয়ে  খেছেন

ফুটবল বিশ্বকাপগ্রেটেস্ট শোক্রীড়াঙ্গনলিওনেল মেসি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    জাপান কেন মনে রেখেছে কুষ্টিয়ার বিচারপতি রাধাবিনোদ পালকে

    জাপান কেন মনে রেখেছে কুষ্টিয়ার বিচারপতি রাধাবিনোদ পালকে

    ফাহিম
    মাশরুর

     

    ১. ব্রাজিল ৪-১ ইতালি (ফাইনাল, ১৯৭০)

    বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা দলগুলোর একটি বলা হয় ১৯৭০ সালের ব্রাজিলকে। মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ইতালিকে ৪-১ গোলে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে সাম্বার প্রতিনিধিরা। পেলে, জাইরজিনহো, রিভেলিনো ও কার্লোস আলবার্তোদের নৈপুণ্যে ফুটবল যেন শিল্পে পরিণত হয়েছিল ওই আসরে। বিশেষ করে কার্লোস আলবার্তোর ব্রাজিলের হয়ে করা ম্যাচের শেষ গোলটি আজও বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা দলীয় গোল হিসেবে বিবেচিত। টানা ৩০ টাচে ব্রাজিল দলের সবার পায়ের ছোঁয়া ছিল এই গোলের বিল্ডআপে। এ ছাড়া রঙিন টিভিতে প্রথমবার দেখানো হয়েছিল এই ফাইনাল।

    ২. ব্রাজিল ১-২ উরুগুয়ে (চূড়ান্ত পর্ব, ১৯৫০)

    ফুটবল অভিধানে ‘মারাকানাজো’ শব্দটির জন্ম এই ম্যাচ থেকেই। রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে প্রায় ২ লাখ দর্শকের সামনে ব্রাজিলের শুধু ড্র করলেই শিরোপা নিশ্চিত ছিল। কিন্তু উরুগুয়ে সবাইকে স্তব্ধ করে ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় বিশ্বকাপ। আলসিদেস গিগিয়ার জয়সূচক গোলের পর পুরো ব্রাজিল যেন শোকে ডুবে গিয়েছিল। এটি এখনো বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে পরিচিত।

    ৩. আর্জেন্টিনা ৩-৩ ফ্রান্স (ফাইনাল, ২০২২)

    সম্ভবত আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে নাটকীয় ফাইনাল। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। এরপর কিলিয়ান এমবাপ্পের দুই গোল ম্যাচ ফিরিয়ে আনে সমতায়। অতিরিক্ত সময়ে লিওনেল মেসি আবার এগিয়ে নেন আর্জেন্টিনাকে, কিন্তু এমবাপ্পে হ্যাটট্রিক পূরণ করে ম্যাচ গড়ান টাইব্রেকারে। সেখানেও আর্জেন্টিনা ছিল স্নায়ুযুদ্ধের পরীক্ষায় সফল। ৪-২ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে অবশেষে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে তোলেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ম্যাচের পরতে পরতে বাঁকবদল। শ্বাসরুদ্ধকর নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচটি অনেকের চোখে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ফাইনাল।

    ৪. আর্জেন্টিনা ২-১ ইংল্যান্ড (কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৯৮৬)

    একটি ম্যাচ, দুটি গোল আর দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন গল্প। মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনা প্রথমে করেন বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল। কয়েক মিনিট পরই মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রায় পুরো রক্ষণভাগকে কাটিয়ে করেন ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। একই ম্যাচে ফুটবলের বিতর্ক ও সৌন্দর্যকে এমনভাবে আর কোনো খেলোয়াড় তুলে ধরতে পারেননি।

    ৫. ব্রাজিল ১-৭ জার্মানি (সেমিফাইনাল, ২০১৪)

    বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য স্কোরলাইনগুলোর একটি। নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিল মাত্র ২৯ মিনিটেই ৫ গোল হজম করে। জার্মানির দ্রুতগতির আক্রমণের সামনে অসহায় দেখাচ্ছিল ব্রাজিলকে। শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের এই হার শুধু একটি পরাজয় নয়, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত হয়ে আছে। যে ক্ষতের ব্যথা আজও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে ব্রাজিল ফুটবলকে। এই ম্যাচে হেরে নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নেরও মৃত্যু হয় ব্রাজিলের।

    ৬. সুইডেন ২-৫ ব্রাজিল (ফাইনাল, ১৯৫৮)

    ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর এই ম্যাচে বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, ফুটবলের ভবিষ্যৎ তার হাতে। সেই কিশোরের নাম পেলে। ফাইনালে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জেতে ব্রাজিল। পেলের ২ গোল, বিশেষ করে ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে বল তুলে নেওয়ার পর করা গোলটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে অমলিন।

    ৭. পশ্চিম জার্মানি ২-১ নেদারল্যান্ডস (ফাইনাল, ১৯৭৪)

    ‘টোটাল ফুটবল’-এর জন্য বিখ্যাত নেদারল্যান্ডসকে অনেকেই সেই সময়ের সেরা দল মনে করতেন। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই ইয়োহান ক্রুইফদের দল পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায়। কিন্তু পশ্চিম জার্মানি ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। কৌশলের দিক থেকে জার্মানদের ম্যাচে ফেরা। নিজেদের ফুটবলশৈলীর প্রদর্শন করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। সব মিলিয়ে ওই সময় ফুটবলকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া সব ট্যাকটিকস দেখিয়েছিলেন জার্মানরা। তাই এই ম্যাচের গুরুত্ব ফুটবল ইতিহাসে কম নয়।

    ৮. উরুগুয়ে ৪-২ আর্জেন্টিনা (ফাইনাল, ১৯৩০)

    বিশ্বকাপের প্রথম ফাইনাল। মন্টেভিডিওতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে উরুগুয়ে। ৪-২ ব্যবধানে জিতে তারা হয়ে যায় ইতিহাসের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সেই ম্যাচই বিশ্বকাপের কিংবদন্তি যাত্রার সূচনা করে।

    ৯. পশ্চিম জার্মানি ৩-২ হাঙ্গেরি (ফাইনাল, ১৯৫৪)

    ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত এই ম্যাচ। ফেরেঙ্ক পুসকাসের দুর্দান্ত হাঙ্গেরি দল টুর্নামেন্ট জুড়ে ছিল অপ্রতিরোধ্য। ফাইনালে তারা দ্রুত ২-০ ব্যবধানে এগিয়েও যায়। কিন্তু পশ্চিম জার্মানি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। এই ম্যাচকে অনেকেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম বড় রূপকথা বলে মনে করেন।

    ১০. ইতালি ৩-২ ব্রাজিল (দ্বিতীয় পর্ব, ১৯৮২)

    ফাইনাল না হয়েও বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ম্যাচের মর্যাদা পেয়েছে এটি। ব্রাজিলের জিকো, সক্রাতেস, ফ্যালকাওদের দলকে সেই সময় প্রায় অপরাজেয় মনে করা হতো। কিন্তু ইতালির পাওলো রোসি একাই করেন হ্যাটট্রিক। তার নৈপুণ্যে ৩-২ গোলের জয় পায় ইতালি এবং বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা দল হয়েও ব্রাজিলকে বিদায় নিতে হয় শিরোপাহীন অবস্থায়।

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে রোমাঞ্চে ঠাঁসা অসংখ্য ম্যাচ হয়েছে। কিন্তু কিছু ম্যাচ শুধু ফলাফলের জন্য নয়, তাদের নাটকীয়তা, আবেগ, নায়কোচিত পারফরম্যান্স কিংবা অঘটনের জন্য সময়কে অতিক্রম করে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন এখন একটাই— এ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার মতো আর কয়টি মহাকাব্যিক ম্যাচ ফুটবল বিশ্বের জন্য অপেক্ষা করছে?

    প্রাইজমানি

    • মেটলাইফের মঞ্চে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরা চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি ডলার।
    • রানার্সআপ পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
    • এ ছাড়া তৃতীয়, চতুর্থ ও কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা পাবে যথাক্রমে ২ কোটি ৯০ লাখ, ২ কোটি ৭০ লাখ এবং ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার করে।
    • নতুন চালু হওয়া শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার।
    • গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর পকেটে যাবে ৯০ লাখ ডলার।
    • ৪৮টি দেশের প্রত্যেকে প্রস্তুতি খরচ পেয়েছে ১৫ লাখ ডলার।
    • সম্প্রচার অধিকার ও স্পন্সরশিপ থেকে ফিফার প্রত্যাশিত আয় ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার। শুধু মিডিয়া রাইটস থেকেই আসবে ৪২০ কোটি ডলার, গ্লোবাল স্পন্সর থেকে তারা পাবে ২৮০ কোটি ডলার।