মুখোমুখি কানাডা-মরক্কো

সংগৃহীত ছবি
শেষ ১৬-তে তাদের হয়তো কেউই আশা করেনি। বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক কানাডা সব রেকর্ড চুরমার করে জায়গা করে নিয়েছে নকআউটের দ্বিতীয় রাউন্ডে। সেই কানাডার সামনে এবার অ্যাটলাস লায়ন্স মরক্কো। কানাডার গতি বনাম মরক্কোর রক্ষণ, আজ রাত ১১টায় হিউস্টনে শেষ হাসি কার?
এবারের বিশ্বকাপে গতিময় ফুটবল এবং ট্যাকটিক্যাল কাউন্টার-অ্যাটাকের জন্য বেশ সুনাম কুড়িয়েছে কানাডা। তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে গড়া এই দলটি মাঝমাঠ থেকে দ্রুত বল উইংয়ে নিয়ে প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগে কাঁপন ধরাতে পটু। গতি এবং শারীরিক সক্ষমতাই তাদের মূল শক্তি। গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে নকআউট নিশ্চিত করে তারা। রাউন্ড অব ৩২-এ দক্ষিণ আফ্রিকাকে শেষ মুহূর্তের গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় পায় কানাডা।
অন্যদিকে গত বিশ্বকাপের মতো এবারও মরক্কো তাদের সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ এবং জমাট মাঝমাঠ নিয়ে দাপট দেখাচ্ছে। দ্রুত প্রতি-আক্রমণে গিয়ে গোল আদায় করে নিতে পারদর্শী আশরাফ হাকিমির দল।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সঙ্গে সমান পয়েন্ট নিয়ে শেষ করলেও গোল ব্যবধানে তারা হয় দ্বিতীয়। রাউন্ড অব ৩২-এ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে স্মরণীয় এক জয়ে শেষ ১৬-তে পা রাখে আফ্রিকার দেশটি। কানাডা দলের মূল ভরসার জায়গা এবারের আসরে তাদের সেরা স্কোরার জোনাথন ডেভিড। হাকিমিদের রক্ষণের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হবেন এই স্ট্রাইকার। আলফানসো ডেভিস যদি ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে নামতে পারেন, সেটা হবে বড় পাওয়া।
মরক্কো তাকিয়ে থাকবে হাকিমির দিকে। রক্ষণ সামলে তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন দলের পুরো খেলা। আক্রমণভাগে ইসমেইল সাইবারি ৩ গোল করে আছেন দারুণ ফর্মে। কানাডার রক্ষণ ভাঙতে তার ওপরেই থাকবে মরক্কোর ভরসা।




