আনফিট লুকাকুকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে বেলজিয়াম

সংগৃহীত ছবি
এই মৌসুমে তিনি খেলেছেন সাত ম্যাচ। মিনিটের হিসেব করলে সেটা মাত্র ৬৯। পুরোপুরি ফিট না থাকায় গত দুই মাসে ক্লাবের হয়েও মাঠে নামেননি রোমেলু লুকাকু। প্রায় এক বছর ধরে জাতীয় দল থেকে দূরে থাকা সেই লুকাকুকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে বেলজিয়াম।
দুদিন আগে ৩৩তম জন্মদিন পালন করা লুকাকু এই মৌসুমে নাপোলির কোনো ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন না। সব ম্যাচে বদলি হয়ে মাঠে নামেন তিনি। ফেব্রুয়ারিতে ভেরোনার বিপক্ষে একটি গোল করেন এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার।
হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে অনেকদিন ধরেই মাঠের বাইরে লুকাকু। জাতীয় দলের হয়ে তার সর্বশেষ ম্যাচ ছিল গত বছরের জুনে ওয়েলসের বিপক্ষে। দুই মাস ধরে বেলজিয়ামে পুনর্বাসনে আছেন লুকাকু, এখনো পুরোপুরি ফিট নন তিনি। তবুও টানা চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পাচ্ছেন এই নাপোলি ফরোয়ার্ড।
বেলজিয়াম স্কোয়াডে আছেন থিবো কোর্তোয়া, কেভিন ডি ব্রুইনা ও অ্যাক্সেল উইটসেলের মতো অভিজ্ঞ তারকারা। এদিকে লিলের তরুণ ফরোয়ার্ড মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দোকেও দলে নিয়েছেন কোচ রুডি গার্সিয়া। ২১ বছর বয়সী এই ফুটবলার সম্প্রতি বেলজিয়ামের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। ব্রাসেলসে জন্ম নেওয়া এই ফরোয়ার্ডের বাবা-মা ইতালিয়ান ও স্প্যানিশ। যদিও ২০২৫ সালে তিনি স্পেনের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তবে তাদের হয়ে কোনো ম্যাচ খেলেননি।
ফার্নান্দেজ-পার্দোকে সুযোগ দিতে বাদ পড়েছেন জুভেন্টাসের স্ট্রাইকার লোইস ওপেন্ডা, যিনি এই মৌসুমে নিয়মিত খেলতে পারেননি। এ ছাড়া ইনজুরিতে থাকা স্পোর্টিং ডিফেন্ডার জেনো ডেবাস্তও স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন।
বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’তে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ মিসর, ইরান ও নিউজিল্যান্ড। তাদের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায়।
বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ দল
গোলরক্ষক: থিবো কোর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স,
মাইক পেন্ডার্স।
ডিফেন্ডার: টিমোথি কাস্তানিয়া, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডি কুইপার, কোনি
ডি উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেচেলে, থমাস মুনিয়ের, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেস, আর্থার
থিয়েট।
মিডফিল্ডার: কেভিন ডি ব্রুইনা, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাস্কিন, ইউরি তিয়েলেমানস,
হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল।
ফরোয়ার্ড: চার্লস ডি কেটেলিয়ার, জেরেমি ডকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো,
রোমেলু লুকাকু, ডোডি লুকেবাকিও, ডিয়েগো মোরেরা, অ্যালেক্সিস সেলেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো
ট্রোসার্ড।




