শিরোপা হারিয়ে আগের বোনাস পেলেন মেয়েরা

সংগৃহীত ছবি
২০২৪ সালে ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে নেপালকে হারিয়ে পাওয়া শিরোপা শনিবার ভারতের গোয়ায় স্বাগতিকদের কাছে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ১৯ মাস আগের সে সাফল্যের পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য ঘোষণা করেছিল দেড় কোটি টাকা অর্থ পুরস্কার। শিরোপা হারানোর একদিন পর সেই পুরস্কার পেলেন ফুটবলাররা। রবিবার ২০২৪ নারী সাফের শিরোপাজয়ী ২৩ ফুটবলারের ব্যাংক হিসাবে জমা পড়েছে ৫ লাখ টাকা করে।
টাকা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাফজয়ী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সেন্টারব্যাক মাসুরা পারভীন। এরা অবশ্য হ্যাটট্রিক শিরোপার ব্যর্থ অভিযানে দলে সঙ্গী হননি। ২০২৪ সাফ জিতে ফেরার পর থেকেই জাতীয় দলে ব্রাত্য তারা।
২০২২ সালের পর ২০২৪ সালেও সাফ শিরোপা নিজেদের করে রেখেছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এমন সাফল্যের পর সরকার থেকে শুরু করে অনেক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দেয়। প্রতিশ্রুতি সেসব পুরস্কার সময় মতোই হাতে পেয়েছিলেন মেয়েরা। সে সময় বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটি প্রথম সভায় দলকে দেড় কোটি টাকা বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর থেকেই ফুটবলারদের অপেক্ষা প্রতিশ্রুত বোনাস পাওয়ার।
দেখতে দেখতে আরেক সাফ চলে আসে। তারপরও মিলছিল না ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার প্রতিশ্রুত বোনাস। জানা যায়, প্রথম সভায় নির্বাহী সদস্য সবাই মিলে এই বোনাসের টাকা দেবেন। সভায় সম্মত হলেও পরে অনেকেই টাকা দিতে রাজি হননি। এটা নিয়ে প্রায়ই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে খোদ সভাপতি তাবিথ আউয়ালকে। হয়েছে অনেক সমালোচনা। চুক্তিবদ্ধ থাকায় প্রকাশ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেননি ফুটবলাররা। তবে একটা আক্ষেপ ঠিকই পুষে রেখেছিলেন। অবশেষে তারা সেটে পেয়েছে আরেকটি সাফের ফাইনালে ভারতের কাছে ৩-১ ব্যবধানে হারার পর।
দক্ষিণ এশিয়ার মসনদ হারানোর দুঃখ এতে কিছুটা হলেও কমবে মারিয়া মান্ডা, ঋতুপর্ণা চাকমাদের। বাফুফেও দায়মুক্ত হলো। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বোনাসের অর্থ পেয়ে খুশি মাসুরা বলেন, ‘আজকেই টাকাটা জমা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ আসলে আমরা এই টাকার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। পুরস্কারের টাকা পাওয়ায় আমরা সবাই খুশি। এটা শুধু অর্থ নয়, আমাদের অবদানের স্বীকৃতি।’
ঘোষণার দেড় কোটির মধ্যে ২৩ ফুটবলার পেয়েছেন ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বাকি ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দলের কোচ ও কর্মকর্তাদের জন্য।




