লিগের ফর্ম নিয়ে এলেন জাতীয় দলে

৯ ম্যাচে ৭ ইনিংসে ৩৩৬ রান। ব্যাট হাতে মোসাদ্দেক হোসেনের বসন্ত চলছে। আবাহনীর হয়ে চলমান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তার পরিসংখ্যান এমনটাই বলছে। সেই ধারা টেনে আনলেন জাতীয় দলে। ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে ওয়ানডেতে হারানোর নায়ক ম্যাচ জয়ের পর জানালেন ঘরোয়া ক্রিকেট মনে করেই খেলেছিলেন এই ম্যাচ।
ম্যাচ শেষে এই অলরাউন্ডার জানালেন সাবলীল ব্যাটিংয়ের রহস্য, ‘এই উইকেটে ৩০০-৩২০ রান হয়। কিন্তু আমাদের ইনিংসের সময় উইকেট সহজ আচরণ করছিল না। উইকেটে এসে আমি নিজেকে বোঝালাম। যেভাবে আমি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যাট করেছি সেভাবেই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। এবার আবাহনীর জার্সিতে বেশ ভালো সময় কেটেছে আমার। ওই দিক থেকে আজকের ম্যাচে ভালো করাটা সহজ হয়েছে।’
শুধু ব্যাটিংয়েই নয়। বল হাতেও কার্যকর ছিলেন মোসাদ্দেক। ১০ ওভারে মাত্র ৩৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেওয়া এই অলরাউন্ডার এভাবেই জাতীয় দলকে সমর্থন দিতে চান সামনের ম্যাচগুলোতেও, ‘পুরো ম্যাচই আমার জন্য ভালো একটা সুযোগ ছিল। আমি দুই বিভাগেই তা কাজে লাগাতে পেরেছি। যেভাবে আজ (গতকাল) চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরলাম। আমার স্বপ্ন প্রতি ম্যাচে এভাবেই দলকে সমর্থন দেওয়ার।’
মোসাদ্দেকের পারফরম্যান্স অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকে স্বস্তি দিয়েছে। ব্যাটিংয়ে শেষদিকে তাসকিনকে নিয়ে ৩৩ বলে ৪৫ রানের জুটি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে মিরাজের কাছে। তবে অধিনায়ককে রোমাঞ্চিত করেছে তানজিদ তামিম ও নাজমুল শান্তর জুটি। ওই জুটিতেই ম্যাচে শক্ত অবস্থান তৈরি করে বাংলাদেশ।
তামিম-শান্তর ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটিতে বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর বিশ্বাস তৈরি হয় বলেছেন মিরাজ, ‘শান্ত ও তানজিদের ব্যাটিং রোমাঞ্চকর ছিল। ওই অবস্থা টেনে নিতে পারলে আমরা আরও ভালো করতাম। দুর্ভাগ্য যে ওরা দুজনই ভালো অবস্থানে থেকে আউট হয়েছেন। তবুও ওই জুটিটা আমাদের ম্যাচের গতিপথ ঠিক করে দেয়।’




