ওয়ানডেতে এখন জিম্বাবুয়েকে হারানো কঠিন!

ব্যাটে রান নেই হৃদয়ের। দলও হেরেছে বড় ব্যবধানে। ছবি: ক্রিকইনফো
জিম্বাবুয়েকে হারানো কি তাহলে কঠিন হয়ে গেল? পরিসংখ্যান তো এমনই বলছে। এই ফরম্যাটে গত ৬ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৪বার হেরেছে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র দুই ম্যাচে। শনিবার আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আরও একবার জিম্বাবুয়ের কাছে হার হজম করল বাংলাদেশ।
আগে ব্যাট করে ২৭১ রান তুলেছে জিম্বাবুয়ে। জবাবে মাত্র ১৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৯৯ রানের হারে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে গেল তাওহীদ হৃদয়দের।
ব্যাটিং ব্যর্থতার পুরোনো চিত্রটাই আরও একবার ফিরেছে আবুধাবিতে। উইকেট কঠিন হয়েছিল এমন বলা যাবে না মোটেও। নিজেদের ইনিংসে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরই ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিণের ১৫০ রানের জুটিতে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় জিম্বাবুয়ানরা।
ফ্লাডলাইটের আলোয় ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে ওঠা সেই পিচেই কঠিন সময় পার করেছে বাংলাদেশ ব্যাটাররা। ওপেনিংয়ে ৪৭ রানের জুটি ছাড়া আর বড় জুটি নেই। নিয়মিত বিরতিতে ভুল শট ও লাইন মিস করার মাশুল দিয়ে উইকট বিলিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ ব্যাটাররা।
সৌম্য সরকারর ১৯ বলে ৭ রানে ক্যাচ আউট দিয়ে পতনের শুরু। দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ তামিম ৩৮ বলে ৪৬ রানে ক্যাচ দিলেন পয়েন্টে। নাজমুল শান্ত ফিরেছেন ৮ বলে ৪ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে। সাইফ হাসান অফস্ট্যাম্পের অনেকটা বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন ৩৭ বলে ২৬ রানে।
এছাড়া অধিনায়ক হৃদয় ভিন্ন কিছু করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন এলবিডব্লিউ হয়ে ২১ বলে ১৩ রানে। মোসাদ্দেক ১৮ বলে ১১ রান করে হৃদয়ের মতো প্রায় একই ভাবে আউট হয়েছেন। বিপদের সময় ভুল শট খেলে ৫ রানে ফিরেছেন অভিজ্ঞ নুরুল হাসান সোহান। অনেকদিন পর লিটন দাসের ইনজুরিতে ওয়ানডে একাদশে ফেরার সুযোগ কাজে লাগাত ব্যর্থ সোহান। শেষদিকে রিশাদ ২৩ রান , তাসকিনের ১৬ রানে হারের ব্যবধান কমেছে।
জিম্বাবুয়ের ব্র্যাড ইভানস ৪, সিকান্দার রাজা ও মাসাকাদজা ২টি করে উইকেট নেন। এছাড়া মুজারাবানি ও নিয়ামহুরি নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।



