এক পায়ে খেলে মুম্বাইকে বিদায় করলেন ক্রুনাল

৩২ বলে ফিফটি করেছেন ক্রুনাল। ছবি: সংগৃহীত
চোটের জন্য খেলতে পারেননি হার্দিক পান্ডে। খেললে প্লে-অফ থেকে বাদ পড়ার যন্ত্রণাটা মাঠে থেকে দেখে কষ্টটা বাড়ত কয়েকগুণ। তার ভাই ক্রুনাল পান্ডে চোটের জন্য এক পায়ের উপর ভর করে খেলা বিস্ফোরক ৭৩ রানের ইনিংসেই এবারের মতো বিদায় ঘণ্টা বেজেছে মুম্বাইয়ের।
শুরুতে ব্যাট করে মুম্বাই পায় ৭ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি। জবাবে ক্রুনাল পান্ডের ৭৩-এ শেষ ওভারে জয় পায় বেঙ্গালুরু। এই জয়ে ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে এখন বেঙ্গালুরু। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে মুম্বাই।
এত দিন আইপিএলের প্লে-অফের লড়াই থেকে কোনও দল বাদ পড়েনি। কিন্তু রবিবার একই দিনে দুই দল বাদ পড়ে গেল। প্লে-অফের লড়াই থেকে বাদ পড়েছে লখনৌ ও মুম্বাই।
চেন্নাইয়ের কাছে হেরে প্রথম দল হিসাবে বাদ পড়ে লখনৌ। ২৭ কোটি রুপির ঋষভ পন্ত আরও এক বার হতাশ করলেন। বেঙ্গালুরুর কাছে হেরে দ্বিতীয় দল হিসাবে বাদ পড়ল পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই। ২০২১ সালের পর থেকে ব্যর্থতা তাদের সঙ্গী। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া হতাশ করলেন আরও একবার।
রবিবারের দুই ম্যাচের পর মুম্বাই ও লখনৌয়ের পয়েন্ট ১১ ম্যাচে ৬। তারা সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্টে পৌঁছোতে পারবে। আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় থাকা চতুর্থস্থানের দল পাঞ্জাব কিংসের পয়েন্ট ১৩। তাই কোনও ভাবেই চারে আসার সুযোগ নেই লখনৌ ও মুম্বাইয়ের।
২০২৩-এর পর আইপিএলে কখনও শূন্য রানে আউট হননি বিরাট কোহলি। সেই কোহলি লখনৌয়ের পর রবিবার টানা দ্বিতীয় ম্যাচে শূন্য রানে আউট মুম্বাইয়ের বিপক্ষে।
এরপর দলকে একাই টানছিলেন ক্রুনাল। ৩২ বলে ফিফটির পর ১৭তম ওভারে তার পায়ের পেশিতে টান ধরে। মাঠে এসে শুশ্রূষা করেন চিকিৎসকেরা। ক্রুনাল উঠে দাঁড়ালেও দৌড়তে পারছিলেন না। বড় শট ছাড়া রান নেওয়ার পথ ছিল না তার। ১৮তম ওভারে আল্লা গজনফরকে দুটি ছয় মারেন তিনি। তৃতীয়বার ছক্কা গিয়ে আউট হন ৪৬ বলে ৭৩ করে।
১৯তম ওভারে মাত্র তিন রান দেন জাসপ্রিত বুমরা। রাজ অঙ্গদের করা শেষ ওভার থেকে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল বেঙ্গালুরুর। প্রথম বলই ওয়াইড করেন রাজ। দ্বিতীয় বল নো। ফ্রি হিটের বলটিও নো বল করেন রাজ। পরের ফ্রি হিটের বলে রান করতে পারেননি রোমারিও শেফার্ড। এর পর ফের ওয়াইড করেন রাজ। সেই বলে আসে এক রানও।
তৃতীয় বলে আউট হন শেফার্ড। চতুর্থ বলে আবার ওয়াইড করেন রাজ। পরের বলেই ছয় মারেন ভুবনেশ্বর। পঞ্চম বলে এক রান নেন। শেষ বলে ২ রান দরকার ছিল। সেই ২ রান নিয়ে বেঙ্গালুরুকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন রসিখ দার।





