১১ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা
ধর্ষকের প্রকাশ্যে শাস্তি চাইলেন তাওহীদ হৃদয়

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সরব হলেন তাওহীদ হৃদয়।
দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা প্রকট আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে শিশুরা এসব বিকৃত মানসিকতার শিকার হচ্ছে নিয়মিত। প্রায় প্রতিদিনই আসছে হাড় হিম করা বীভৎস সব খবর! দেশের আপামর মানুষের মতো এসব ধর্ষণের ঘটনা নজর এড়ায়নি জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাওহীদ হৃদয়ের। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন প্রতিবাদ, চেয়েছেন শাস্তি।
সম্প্রতি নেত্রকোণার মদন উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের ধর্ষণে ১১ বছরের এক শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক। তিনি ১১ বছরের শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বারংবার ধর্ষণ করেছেন। এই ঘটনায় সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়েই সরব হয়েছেন হৃদয়।আজ মঙ্গলবার সকালে হৃদয় ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিউজফিডে গিয়ে চোখ আটকে গেল। ১১ বছরের একটি শিশুর ভেতরে আরেকটি প্রাণ, অথচ অপরাধী এখনো আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ ধরনের নরপশুদের প্রকাশ্যে বীভৎস শাস্তি হওয়া উচিৎ, যেন অন্যরা আর এ ধরনের অপরাধ করতে না পারে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘কুরআন ও হাদীসের আলোকে, আল্লাহতাআলা যার ওপর সন্তুষ্ট থাকেন, তাকেই কন্যা সন্তান দান করেন। যেখানে কন্যা কিংবা নারী স্বয়ং আল্লাহ পাকের নেয়ামত হিসেবে ধরা হয়, সেখানে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করার আগেও আমাদের দ্বিতীয়বার ভাবা উচিৎ। আল্লাহপাক আমাদের নফসের হেফাজত করুক। আল্লাহুম্মা আমিন।’




