নাহিদ রানার হুংকার
‘আমাকে কেউ বাউন্সার দিলে তাকেও দিব’

সংগৃহীত ছবি
নাহিদ রানাকে বাউন্সার দিতে ভয় পান অনেক বোলার, মিরপুর টেস্টের পর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কথার ভাবার্থ ছিল এমন। কারণ, নাহিদের ফিরতি বাউন্সার আসতে পারে! বিপক্ষ দলের বোলাররা তা সামলাতে পারবেন তো?
এতদিন শুধু আলোচনাতেই এসব সীমাবদ্ধ থাকতো। এখন রানা সরাসরি বলে দিলেন। কেউ তাকে বাউন্সার দিলে ফিরতি ধাক্কা সামলাতে হবে ওই বোলারকে।
সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের শেষদিকে খুররম শাহজাদ ও সাজিদ খানকে বল করছিলেন রানা। রানার বল কার্যত চোখে দেখছিলেন না দুই বোলারই। ১৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছি গতিতে ছুটে আসা বলে চোখ বন্ধ করে ব্যাট চালাতে হচ্ছিল পাকিস্তান টেল এন্ডারদের।
রানার ব্যাটিংয়ের সময় এই পেসাররা চাইলেই বাউন্সার দিতে পারেন। কিন্তু টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে যে আবারো রানার মুখোমুখি হতে হবে সেই ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হবে তাদের।
কারণ সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে রানার হুংকার ছিল এমন, ‘কেউ বাউন্সার দিতে ভাববে কি না জানি না, তবে এতটুক বলতে পারি, আমাকে কেউ বাউন্সার মারলে আমি তাকে ছেড়ে কথা বলব না।’




