সালমানের রানআউট নিয়ে বিতর্ক, আইনে যা আছে

সালমানকে রানআউট করছেন মিরাজ। ছবি: সংগৃহীত
ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা। একটা সময় ব্যাটের কানায় বল লেগেছে বুঝতে পারলে হাঁটা দিতেন ব্যাটার, অথচ দেখা যেত আম্পায়ার আউট দেননি! সে সব দিন ইতিহাসে ঠাঁই নিচ্ছে দিনে দিনে। কেননা রিপ্লের ব্যবস্থা যখন আছে তখন আর ‘স্পোর্টসম্যানশিপ’ কেন?
আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও ‘স্পোর্টসম্যানশিপ’ দেখাননি মেহেদী হাসান মিরাজ। তার করা ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলটি সোজাসুজি খেলেন রিজওয়ান। বল চলে যাচ্ছিল নন স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা সালমানের দিকে। বল ধরার জন্য কিছুটা দৌড়েছিলেন মিরাজ।
সালমানও বল তুলে মিরাজকে দেওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। তার আগেই মিরাজ বল তুলে স্টাম্প ভাঙেন। তখন পপিং ক্রিজের বাইরে ছিলেন সালমান। নিয়ম অনুযায়ী সালমান আউট। চাইলে আবেদন নাও করতে পারতেন মিরাজ। কিন্তু আইন মেনে আম্পায়ার তানভীর আহমেদের কাছে রানআউটের আবেদন করেন তিনি।
টিভি আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা একবার রিপ্লে দেখেই আউট দেন সালমানকে। ক্ষুব্ধ সালমান ড্রেসিংরুমের দিকে ফেরার পথে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দিকে তাকিয়ে ইঙ্গিত করছিলেন কিছু একটা। লিটন দাস মেজাজ হারালে তাকে শান্ত করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।
আইন অনুযায়ী এটা আউট ছিল। কেননা এমসিসির ধারা ৩৮.১-এ লেখা আছে, ‘বল চলাকালীন যেকোনো সময় ব্যাটার তার সীমানার বাইরে থাকলে আর ফিল্ডারের সরাসরি অংশগ্রহণে উইকেট ভাঙা হলে, তবে তিনি রানআউট হবেন।’ ব্যাটার রান নেওয়ার চেষ্টা করেন বা না করেন তাতে কিছু যায় আসে না বলেও উল্লেখ আছে এই ধারায়।
আইনটা অজানা নয় পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রমিজ রাজারও। তাই ধারাভাষ্যে তিনি বললেন,‘ টেকনিক্যালি ও ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী সালমান আউট ছিল। কিন্তু খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব? আমার মনে হয় সেটি ধাক্কা খেয়েছে।’

